সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার আমেরিকান মহিলা কবি লুইস গ্লাকের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

এবার নোবেলের মঞ্চে নারীশক্তি জয়জয়কার। ২০২০ সালে ঘোষিত চারটি নোবেল পুরস্কারের মধ্যে তিনটিই একক বা যুগ্মভাবে জিতেছেন কোনও না কোনও মহিলা। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ চলতি বছরের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রাপকের নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ কমিটি। এবারের কৃতি মার্কিন কপি লুইস গ্লাক।

এ বছর গ্লাক যাঁদের  পিছনে ফেলে এই পুরস্কার জিতে নিলেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কানাডিয়ান লেখিকা মার্গারেট অ্যাটউড এবং জাপানি লেখক হারুকি মুরাকামির মতো ব্যক্তিত্ব। গ্লাক এর আগে পেয়েছেন পুলিৎজার  (১৯৯৩) , ইউ এস পোয়েট লরিয়েট (২০০৩-২০০৪) ইত্যাদি পুরস্কার।

আরও পড়ুন : ট্রেন্ডিংয়ে নম্বর ওয়ান ‘বাবা কা ধাবা’, কেন জানেন কী ? কেনই বা প্রচার স্বরা-সোনমদের?

লুইস এলিজাবেথ গ্লাকের জন্ম নিউ ইয়র্ক শহরে, বেড়ে ওঠা নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডে। গ্লাকের কবিতায় উঠে এসেছে মানব জীবনের বিভিন্ন সঙ্কট, অভিপ্সা এবং অবশ্যই প্রকৃতি। নিঃসঙ্গতা এবং বিষণ্ণতা তাঁর কবিতার অন্যতম লক্ষণ। আলোচকরা তাঁর কবিতায় পেয়েছেন আত্মজৈবনিকতার সঙ্গে ধ্রুপদী মিথের গূঢ় আন্তর্সম্পর্ক।

গ্লাকের রচনায় অনেকেই রাইনের মারিয়া রিলকে এবং এমিলি ডিকিনসনের উত্তরাধিকারকে খুঁজে পান। সেদিক থেকে দেখলে গ্লাক, পশ্চিমি বিশ্বের মূল ধারার কবিতা থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখেননি বলে চলে। ৭৭ বছর বয়সি গ্লাক যুক্ত রয়েছেন ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার কাজে। এই মুহূর্তে তিনি ম্যাচুসেটসের কেম্ব্রিজ শহরের বাসিন্দা।

১৯৬৮ সালে তঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ফার্স্টবর্ন’ প্রকশিত হয়। ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ ‘ফেথফুল অ্যান্ড ভার্চুয়াস নাইট’। ২০১২-এ তাঁর কাব্য সংকলন ‘পোয়েমস  ১৯৬২-২০১২’ লস এঞ্জেলেস টাইমস বুক প্রাইজ প্রাপ্ত হয়।  এর বাইরে রয়েছে তাঁর কবিতা সংক্রান্ত প্রবন্ধের বই ‘প্রুফস অ্যান্ড থিয়োরিজ’, ‘আমেরিকান অরিজিন্যালিটি’।

আরও পড়ুন : ট্রেনের টিকিট এবার অ্যামাজনেও, পান ক্যাশব্যাক

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest