পাকিস্তান তো আছেই, নেপাল- আফগানিস্তানকে নিয়ে নয়া অক্ষ চিনের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

কোভিড মোকাবিলা ও বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের কাজে সহযোগিতার জন্য আফগানিস্তান, নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠক করল চিন। মুখে এই কথা বললেও আসলে কুটনীতির মঞ্চে এটা ভারতকে কোণঠাসা করার একটা অভিপ্রায়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই সোমবার তিন দেশের মন্ত্রীদের নিয়ে এ বিষয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন। চিনা বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, চিন ও পাকিস্তানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে যৌথ আঞ্চলিক সহযোগিতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই এই বৈঠক।বৈঠকে চিনের বন্ধু পাকিস্তানের থেকে নেপাল ও আফগানিস্তানকে শিখতেও বলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী।

চিনা বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওয়াংয়ের ভার্চুয়াল বৈঠকে নেপালের বিদেশমন্ত্রী প্রদীপকুমার গাওয়ালি এবং আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত বিদেশমন্ত্রী হানিফ আতমার যোগ দিয়েছিলেন। পাকিস্তানের তরফে ছিলেন অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী মখদুম খুশরো বখতিয়ার।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের আবহে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। এই পরিস্থিতিতে আর্থিক বৃদ্ধির গতি বাড়াতে চার দফা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। পাশাপাশি, চিনের পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বিআরআই (বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ)-এ দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছেন ওয়াং। পাকিস্তান ইতিমধ্যেই চিনের এই প্রকল্পের সক্রিয় অংশীদার হয়ে উঠেছে।শুধু কোভিড মোকাবিলাই নয়, এরপরে অর্থনীতির চাকা ঘোরাতেও চার দেশকে একযোগে কাজ করতে হবে, বলে জানান ওয়াং।

চিনের ‘লক্ষ্য’ও বৈঠকে স্পষ্ট করে দিয়েছেন ওয়াং। তিনি বলেছেন, ‘‘আমরা চিন-পাকিস্তান ইকনমিক করিডোর (সিপিসি) এবং ট্রান্স হিমালয়ান কানেন্টিভিটি নেটওয়ার্ক (টিএইচসিএন) সম্প্রসারণে সক্রিয় হব। এর ফলে উপকৃত হবে আঞ্চলিক অর্থনীতি।’’ সিপিসিতে আফগানিস্তান এবং টিএইচসিএন-এ নেপালকে জুড়ে নয়াদিল্লির উপর চাপ বাড়াতে দীর্ঘদিন থেকেই সক্রিয় বেজিং। করোনা সঙ্কটকে এবার তারা সুযোগে পরিণত করতে চাইছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest