কুইন এলিজাবেথের পায়ের তলায় মেগান! এবার ব্রিটিশদের রোষে ‘শার্লি এবদো’

সেই ঘটনার সঙ্গে রানি ও মেগানের তুলনা টানা অনেকেই অসম্মানজনক এবং বাড়াবাড়ি বলে মনে করছেন।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

মাটিতে পড়ে ব্রিটিশ রাজপরিবারের পুত্রবধূ মেগান মার্কল। তাঁর গলায় হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেছেন স্বয়ং রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ! মেগান বলছেন, তিনি শ্বাস নিতে পারছেন না। মেগানের বাকিংহাম ছাড়ার কারণ এ ভাবে একটি ব্যঙ্গচিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করে ব্রিটেনবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়েছে ফরাসি ব্যঙ্গ পত্রিকা শার্লি এবদো। ছবিটি তাদের নবতম সংখ্যার প্রচ্ছদ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

এভাবেই গত বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে মেরে ফেলেছিলেন মিনিয়াপোলিসের এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশকর্মী। গত শনিবার প্রকাশিত ওই কার্টুনের শিরোনাম, ‘মেগান কেন বাকিংহাম প্যালেস ছেড়ে দিলেন?’ রানির হাঁটুর নিচ থেকে প্রিন্স হ্যারির স্ত্রী মেগান জবাব দিচ্ছেন, ‘কারণ আমি নিশ্বাস নিতে পারছিলাম না।’ আসলে দিনকয়েক আগে মার্কিন টক শো হোস্ট ওপরা উইনফ্রেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেগান বোমা ফাটিয়েছিলেন যে, ব্রিটিশ রাজপরিবারে থাকাকালীন তিনি বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছিলেন। তার প্রেক্ষিতেই এই ব্যঙ্গচিত্র।

অডিয়ো রেকর্ডিংয়ে শোনা গিয়েছিল ফ্লয়েডের শেষ আকুতি, ‘আই কান্ট ব্রিদ… শ্বাস নিতে পারছি না।’ সেই ঘটনার প্রতিবাদে আমেরিকা জুড়ে শুরু হয় জাতি ও বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে এক নতুন আন্দোলন, যার নাম ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’। সেই আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিটেন-সহ ইউরোপ এবং বিশ্বের অন্য প্রান্তেও। কৃষ্ণাঙ্গ জীবনের সত্যিই যে মূল্য রয়েছে, সেই বার্তা দিয়ে সম্প্রতি জর্জ ফ্লয়েডের পরিবারকে প্রায় ১৯৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে মামলার নিষ্পত্তি করেছে মিনিয়াপোলিস সিটি কাউন্সিল। সেই ঘটনার সঙ্গে রানি ও মেগানের তুলনা টানা অনেকেই অসম্মানজনক এবং বাড়াবাড়ি বলে মনে করছেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারত এখন ‘স্বৈরাচারের দেশ’, অবস্থা বাংলাদেশের চেয়েও খারাপ, রিপোর্ট সুইডিশ সংস্থার

বলেছেন, এক কৃষ্ণাঙ্গের হত্যার দায়ে অভিযুক্ত একজনের সঙ্গে ব্রিটেনের রানির তুলনা করা অত্যন্ত কুরুচিকর। বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে কাজ করা ব্রিটিশ থিংক ট্যাঙ্কের সিইও ডক্টর হালিমা বেগম টুইট করেছেন, ‘এটা কারও কাছে কৌতুকের নয়। বর্ণবিদ্বেষকে চ্যালেঞ্জও করছে না। বিষয়টাকে খেলো করে দিয়েছে।’ এদিকে, এই সাক্ষাৎকারের পরই মেগানের কাছ থেকে তাঁর অভিযোগের প্রমাণ চাওয়া হয়েছে।

এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছে ফরাসি এই ম্যাগাজিন। ইসলাম ধর্মগুরুকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র ছাপানোর জেরে ২০১৫ সালে প্যারিসে এই পত্রিকার দফতরে হামলা হয়। গুলিতে নিহত হন ১২ জন শিল্পী ও কর্মী। তার পর থেকে নিরাপত্তার কারণে প্যারিসেরই কোনও গোপন জায়গা থেকে কাজ চালায় ফরাসি এই পত্রিকাটি।

আরও পড়ুন: কৃষক আন্দোলনের আঁচ এবার গ্র্যামি-তেও, সমর্থনের বার্তা দিলেন ‘সুপারওম্যান’

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest