করোনা মোকাবিলায় ‘ব্যর্থ’, অনুদান বন্ধের পর WHO-র সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ ট্রাম্পের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ওয়াশিংটন: করোনাভাইরাস নিয়ে সংঘাতে এর আগেই অর্থ সাহায্য বন্ধ করা হয়েছিল। আরও এক ধাপ এগিয়ে এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র (WHO) সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে চলেছে আমেরিকা। সে দেশের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার এ কথা ঘোষণা করেছেন।

বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে নিয়ে খুশি ছিলেন না ৷ কারণ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জেরে লাফিয়ে লাফিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যা ৷ ট্রাম্পেের মতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়া নিয়ে World Health Organization-র কাজ করার পদ্ধতির গাফিলতিই দায়ী ৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি হু এটা করেনি কারণ তারা পুরোটাই চিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ৷

কী কারণে সম্পর্কে ছেদ টানা হয়েছে, তারও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ‘যেহেতু ওরা অনুরোধ করা এবং অতি প্রয়োজনীয় সংস্কারে ব্যর্থ হয়েছে, সেজন্য আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে ছেদ টানছি।’ বিশ্বের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য নিয়ামক সংস্থাকে বার্ষিক যে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিত ওয়াশিংয়টন, তা বিশ্বের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং জরুরি জনস্বাস্থ্য বিষয়ক প্রয়োজনীয়তার ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

এ দিকে, হংকং ইস্যুতেও এদিন মর্কিন প্রশাসনের নয়া নীতির কথা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এতদিন হংকংয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা চালু ছিল। দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা এই নিয়মের অবসান হতে চলেছে। হংকংয়ের বিশেষ তকমা প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে চলেছে বলে বলে ট্রাম্প জানিয়েছেন। ফলে চিনের মূল ভূখণ্ডের মতোই হংকং সমান মর্যাদা পারে। একইসঙ্গে কিছু চিনা ছাত্রছাত্রীদের জন্য় বন্ধ হতে চলেছে মার্কিন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা। আগামীদিনে তাঁরা আর মার্কিন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন না।

আরও পড়ুন:

১৯৪৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আমেরিকার যে সম্পর্ক শুরু হয়েছিল, তাতে যতিচিহ্ন পড়ার সম্ভাবনা দীর্ঘদিন ধরেই তৈরি হয়েছিল। করোনা মহামারী রুখতে ‘ব্যর্থ’ হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্ষিক অনুদানও বন্ধ করে দেন ট্রাম্প। 

এরইমধ্যে গত সপ্তাহে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য নিয়ামক সংস্থাকে চার পাতার একটি চিঠি লিখে জানান, সেখানে কী কী সংস্কার প্রয়োজন। একটি বিস্তারিত তালিকা তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি কড়া সুরে বলেন, ‘সংস্থার পক্ষে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র উপায় হল, যদি তা সত্যিই চিনের থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে পারে।’ এছাড়াও করোনা মোকাবিলায় কীভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ব্যর্থ হয়েছে, তারও বিস্তারিত খতিয়ান তুলে ধরেন। সেই চিঠির উত্তর দেওয়ার জন্য ৩০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে তার আগেই বিশ্বের স্বাস্থ্য নিয়ামক সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদের পথে হাঁটল ওয়াশিংটন।

আরও পড়ুন:

Gmail 3

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest