নয়া ছক, রোহিঙ্গা-খেদানো ‘The Face of Buddhist Terror’ এর আত্মসমর্পণ!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

দেড় বছর ধরে পলাতক থাকার পর জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন মায়ানমারের ফায়ারব্র্যান্ড বৌদ্ধ সাধু আশিন উইরাথু। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে মায়ানমার (Myanmar) -এর জনমানসে।

২০১২ সালে রাখাইন প্রদেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের যে সংঘর্ষ হয়েছিল তার নেপথ্যে কট্টরপন্থী এই বৌদ্ধ সাধু ছিলেন বলেই দাবি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির। এর জন্য তাঁকে ‘বৌদ্ধ বিন লাদেনে’র তকমাও দিয়েছিল তারা।

মায়ানমারের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের মে মাসে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় মায়ানমারের সর্বোচ্চ নেত্রী আন সাং সুচি (Aung San Suu Kyi)’র তীব্র সমালোচনা করেন আশিন উইরাথু (Ashin Wirathu)। অপমানসূচক কথাবার্তা বলেন। শুধু তাই নয়, ওই সভা থেকে মায়ানমারে মিলিটারি শাসনের উপকারিতার কথা বোঝাতে গিয়ে দেশের সংসদে থাকা সেনা প্রতিনিধিকে ভগবান বুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেন।

আরও পড়ুন : ‘মোদী ভোটিং মেশিনে ভয় পাই না’, বিহারে গর্জন রাহুলের

তাঁর এই সভার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে আদালতে মামলা দায়ের হয়। দেশদ্রোহিতা ও জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে। সরকারি পক্ষের বক্তব্য শোনার পরেই উইরাথুর নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বিচারক। আর তারপর থেকেই পলাতক ছিলেন ওই ফায়ারব্র্যান্ড বৌদ্ধ সাধু।

সোমবার ইয়াঙ্গনের একটি পুলিশ স্টেশনে ঢোকার আগে অল্প কয়েকজন অনুগামীর সামনে আগামী রবিবারের জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে মন্তব্য করতে দেখা যায় আশিন উইরাথুকে। 2013 টাইম ম্যাগাজিন কভার স্টোরিতেছাপা হয়। তাঁকে তখন The Face of Buddhist Terror বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

আগামী রবিবার মায়ানমারের জাতীয় নির্বাচন। ২০১৫ সালের মতো এবারও বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতা দখলের সম্ভাবনা রয়েছে বর্তমান শাসকদল ন্যাশনাল লিগ অব ডেমোক্রেসির (National League for Democracy)।

আরও পড়ুন : গ্রেফতারের সময় পুলিশকে বাধা, অর্ণব গোস্বামী ও তাঁর স্ত্রী’র বিরুদ্ধে দায়ের FIR

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest