তিনি কৃষক আন্দোলনের পাশেই আছেন, নয়া দিল্লির গোঁসার পরও স্পষ্ট জানালেন জাস্টিন ট্রুডো

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

কৃষি বিক্ষোভ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও তাঁর মন্ত্রিসভার আরও কয়েকজন সদস্য। মূলত কানাডার পঞ্জাবি ভোটব্যাঙ্কের কথা ভেবেই ট্রুডোর এই বক্তব্য বলে মনে করা হলেও সেটা ভালো চোখে দেখেনি ভারত। এবার ভারতে স্থিত কানাডার হাইকমিশনারকে ডেকে সেকথা জানিয়ে দিল। এরকম মন্তব্য যে দুই দেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, সেটিও জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি।

কৃষক আন্দোলন নিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর করা মন্তব্যের পরই ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক নড়েচড়ে বসে। ভারতে কানাডার হামকমিশনারকে তলব করে মন্ত্রক। তবে এত কিছুর পরেও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের অবস্থান জানার পরেও শুক্রবার ফের তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কৃষক আন্দোলনের পাশেই আছেন।

আরও পড়ুন: কৃষক প্রতিবাদ মঞ্চে হিন্দুদের অসম্মান, যুবরাজের বাবার গ্রেপ্তার চাই, দাবি নেটদুনিয়ায়

মঙ্গলবার ট্রুডো বলেছিলেন যে তিনি ভারতে হওয়া কৃষি বিক্ষোভ নিয়ে চিন্তিত। শান্তিপূর্ণ ভাবে বিক্ষোভ করার অধিকার কানাডা সবসময়ই সমর্থন করবে বলে তিনি জানান। এই বিষয়টি নিয়ে তাঁরা ভারতীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলছেন বলেও গুরুপর্বের একটি অনুষ্ঠানে জানান ট্রুডো। এরপরেই ভারত বলে যে অনভিপ্রেত মন্তব্য করা উচিত নয় কানাডার নেতাদের। রাজনৈতিক স্বার্থে কূটনৈতিক আলোচনার ভুল ব্যাখ্যা করা উচিত নয় বলে জানায় ভারত।

ভারতে কানাডার হাইকমিশনার নাদির প্যাটেলকে এদিন ডেকে পাঠায় ভারত। কূটনৈতিক ভাষায় তাঁকে ডিমার্শ করে ভারত। তাঁকে বলা হয় যে ট্রুডো ও অন্যান্যদের মন্তব্য ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ, যেটা মেনে নেওয়া যায় না। এরকম চললে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক চিড় ধরবে বলেও ভারত জানিয়ে দেয়।

এদিন বিদেশমন্ত্রক বলে যে এই সব মন্তব্যের ফলে চরমপন্থীরা উৎসাহিত হয়ে কানাডায় ভারতীয় হাইকমিশন ও কনসুলেটগুলির বাইরে জটলা করছে, যার ফলে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। ভারতের যে সব কুটনীতিবিদরা কানাডায় আছেন, তাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বলে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে চরমপন্থী কার্যকলাপকে বৈধতা দেয়, এমন মন্তব্য করা থেকে রাজনীতিবিদদের বিরত থাকতে বলেছে ভারত।

শুক্রবার ট্রুডো জানিয়েছেন, ‘‘কানাডা সারা পৃথিবী জুড়েই সমস্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পাশে আছে ও থাকবে। আমরা খুশি যে, আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।’’

আরও পড়ুন: দিনের বেলায় ঘুমের অভ্যাস আছে? জেনে নিন স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো না খারাপ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest