কৃষ্ণাঙ্গ হত্যায় উত্তাল আমেরিকা, ১৩ শহরে কার্ফু, তলব জাতীয় নিরাপত্তারক্ষী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ওয়াশিংটন: মার্কিন পুলিশের হেফাজতে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও অগ্নিগর্ভ আমেরিকা। শ্বেতাঙ্গ পুলিশের বর্বরতার বিরুদ্ধে তোপ দেগে দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধেছে প্রতিবাদীদের। টানা পাঁচদিন ধরে এই বিক্ষোভ চলার পর লস এঞ্জেলস, শিকাগো-সহ আমেরিকার ১৩টি শহরে রাতের কার্ফু জারি হয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে বহু শহরে তলব করা হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তারক্ষী।

মিনিয়েপোলিসে শনিবার বিক্ষোভকারীদের লক্ষ করে টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। ছোড়া হয় গ্রেনেড। নিউ ইয়র্ক-সহ অন্যান্য শহরের রাস্তায় রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে শামিল হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। লস এঞ্জেলেসে রাবার বুলেট ছোড়ে ও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও আটলান্টা-সহ ১২টি শহরের মানুষকে বাড়ি থেকে বেরতে বারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতের ভূ-খণ্ড নিয়ে সংসদে নয়া মানচিত্র বিল পেশ নেপালের, কলকাঠি কী চিনের?

জর্জ ফ্লয়েড নামে এক আফ্রিকান-আমেরিকানের গলার উপর পা দিয়ে বসে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার ডেরেক শভিন।প্রায় মিনিট পাঁচেক পরে শ্বাসরোধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় জর্জের। মোবাইল ফুটেজ সামনে আসার পর-পরই ওই ঘটনায় জড়িত চার পুলিশকে বরখাস্ত করা হয়। তবু প্রতিবাদের আগুন নেভেনি। মিনিয়াপোলিস শহরের এই ছবি কার্যত আগুন জ্বালিয়েছে গোটা আমেরিকায়। আফ্রিকান-আমেরিকান বংশোদ্ভুতদের উপর পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে মানুষ। প্রতিবাদ করতে শুরু করেছেন নানা খেলার ক্রীড়াবিদরাও।

‘আমার দম আটকে আসছে’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভকারীদের দেখা যায় করোনায় লকডাউন হোয়াইট হাউসের বাইরেও।অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে ‘থার্ড ডিগ্রি’ খুনের মামলা দায়েরও হয়েছে। করোনা-বিধি শিকেয় তুলে বিক্ষোভ তবু চলছেই।

টুইটারে একটি টিকটক ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন ১৬ বছরের কোকো। যেখানে একে একে ভেসে উঠছে পুলিশি অত্যাচারে নিহত আফ্রিকান-আমেরিকান মানুষদের মুখ ও পরিচয়। সব শেষে কোকো নিজে দু’হাত কাঁধের উপরে তুলছেন। সঙ্গে প্রশ্ন, ‘অ্যাম আই নেক্সট?’ শুধু আফ্রিকান বংশোদ্ভুত হওয়ার জন্য কি তাঁকেও একই রকম অত্যাচারের শিকার হতে হবে? তার সঙ্গে কোকো অন্যদেরও সামিল হতে বলেছেন এই প্রতিবাদে। লিখেছেন, ‘আমি আওয়াজ তুলছি। আপনারাও কি তা-ই করবেন?

‘টুইটারে একটি টিকটক ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন ১৬ বছরের কোকো। যেখানে একে একে ভেসে উঠছে পুলিশি অত্যাচারে নিহত আফ্রিকান-আমেরিকান মানুষদের মুখ ও পরিচয়। সব শেষে কোকো নিজে দু’হাত কাঁধের উপরে তুলছেন। সঙ্গে প্রশ্ন, ‘অ্যাম আই নেক্সট?’ শুধু আফ্রিকান বংশোদ্ভুত হওয়ার জন্য কি তাঁকেও একই রকম অত্যাচারের শিকার হতে হবে? তার সঙ্গে কোকো অন্যদেরও সামিল হতে বলেছেন এই প্রতিবাদে। লিখেছেন, ‘আমি আওয়াজ তুলছি। আপনারাও কি তা-ই করবেন?’

একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি এতখানি অগ্নিগর্ভ প্রেসিডেন্টের কারণেই। কার্যত জনতাকে দুষেই ট্রাম্পকে সম্প্রতি বলতে শোনা যায়, ‘লুটপাট চললে শুটিং তো হবেই’! ‘হিংসাকে প্রশ্রয়’ দেওয়ার অভিযোগে শুক্রবারই ট্রাম্পের একটি টুইট হাইড করেছিল টুইটার।

শনিবার অবশ্য পরিস্থিতি আঁচ করে খানিকটা সুর নরম করেই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘নিহত কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের পরিবারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ওঁরা সবাই খুব ভাল মানুষ।’’বর্ণবিদ্বেষী পুলিশের অত্যাচার নিয়ে সরব হলেও আটলান্টা-সহ গোটা দেশের প্রতিবাদীদের অহিংস পথে থাকারই আর্জি জানিয়েছেন প্রবাদপ্রতিম মানবাধিকারকর্মী মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের কনিষ্ঠ কন্যা বার্নিস কিং।

আরও পড়ুন: জি-৭ সেকেলে’, চিনকে চাপে রাখতেই ভারতকে বৈঠকে চান ট্রাম্প!

Gmail 3
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest