করোনা যুদ্ধে বাজিমাত রাশিয়ার?টিকাকরণ পুতিনের মেয়েকে!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বিশ্বের অন্য দেশগুলিকে পিছনে ফেলে রাশিয়া ঘোষণা করল তারাই প্রথম করোনার টিকা তৈরি করেছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আজ এই ঘোষণা করেছেন। রুশ প্রেসিডেন্টের এই দাবিকে ঘিরে গোটা দুনিয়া জুড়েই চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

করোনার টিকা তৈরির দৌড়ে ছিল আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, ভারত-সহ বেশ কয়েকটি দেশ। রুশ প্রেসিডেন্টের দাবি সত্যি হলে, শেষ মুহূর্তে মস্কোই যে বাজিমাত করল তা বলছেন অনেকেই। প্রথম টিকাটি দেওয়া হয়েছে পুতিনের মেয়েকে। বুধবার থেকে শুরু হতে চলেছে ওই টিকার ফেজ থ্রি পর্যায়ের ট্রায়াল।

আরও পড়ুন : অত্যন্ত সংকটজনক প্রণব মুখোপাধ্যায়! চিকিৎসায় মিলছে না সাড়া,রাখা হয়েছে ভেন্টিলেশনেই

মঙ্গলবার সরকারি একটি বৈঠকে অংশ নিয়ে পুতিন জানান, নানা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিজের যোগ্যতা অর্জন করেছে ওই টিকা। করোনাভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষমতা রয়েছে এই টিকার। টিকা ব্যবহারের আগে যাবতীয় সব পরীক্ষা করা হয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দুই কন্যার মধ্যে একজনকে সেই টিকা দেওয়া হয়েছে এবং সে সুস্থ আছে।

রাশিয়ার সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, প্রথম ধাপে মেডিক্যাল কর্মী, শিক্ষক ও ঝুঁকির কাজে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তিকে এই টিকা দেওয়া হবে। রাশিয়াই প্রথম দেশ যারা করোনাভাইরাসের টিকা রেজিস্টার করল। তবে ফেজ থ্রি ট্রায়ালের আগেই এই টিকাকে অনুমোদন দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানিরা। তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় কয়েক হাজার মানুষের উপর টিকা প্রয়োগ করে তার গুনাগুন দেখে নিতে সময় লাগে মাসখানেক।

পুতিন জানিয়েছেন, ‘‘আমি আশা করছি অদূর ভবিষ্যতে আমরা ওই টিকার বিপুল উৎপাদন করতে পারব এবং তা খুবই প্রয়োজনীয়।’’ টিকা আবিষ্কারকে ‘গোটা দুনিয়ার জন্যই এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ’ বলেও এ দিন ব্যাখ্যা করেছেন পুতিন। রুশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাস্কো জানিয়েছেন, গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং বিন্নোফার্ম, এই দুটি জায়গায় করোনার টিকা উৎপাদন করা হবে।

রুশ সংবাদ সংস্থা ‘স্পুটনিক’ জানাচ্ছে, গত ১৮ জুন ৩৮ জনের উপর ওই টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছিল। তাদের সকলের মধ্যেই করোনাকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা জন্মায় বলেও রুশ বিজ্ঞানীদের দাবি। এই টিকা গবেষণায় অর্থ ঢেলেছে রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (আরডিআইএফ)। তার প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ অবশ্য এ দিন জানিয়েছেন টিকার ফেজ থ্রি ট্রায়াল শুরু হবে বুধবার থেকে।

রুশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাস্কো জানিয়েছেন, গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং বিন্নোফার্ম, এই দুটি জায়গায় করোনার টিকা উৎপাদন করা হবে।তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘‘দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দু’ধাপে টিকাটি নিতে হবে।’’

তাঁর মতে, এর ফলে করোনা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা শরীরে দু’বছর পর্যন্ত থাকবে। রুশ সংবাদ সংস্থা স্পুটনিক জানাচ্ছে, আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ওই টিকা জন সাধারণকে দেওয়া হতে পারে। ওই টিকা উৎপাদনের জন্য আরডিআইএফ বিদেশে বিনিয়োগ করবে বলেও জানিয়েছেন রুশ স্বাস্থ্য মন্ত্রী।

আরও পড়ুন : বিশ্ব সাহিত্যে অপুরণীয় ক্ষতি, চলে গেলেন তুমুল জনপ্রিয় কবি রাহাত ইন্দোরি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest