মার্কিন ক্যাপিটলে বিক্ষোভকারীর হাতে ভারতীয় পতাকা! বিতর্ক ও নিন্দা

বুধবার আমেরিকার কংগ্রেসের ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে হামলাকারীদের হাতে আমেরিকার জাতীয় পতাকার পাশাপাশি ছিল ভারতের জাতীয় পতাকাও। আর তাই ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে আমেরিকার নেটাগরিকদের একাংশের মধ্যে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করা হয়নি) দেখা যায়, ক্যাপিটল ভবনের সামনে বিক্ষোভকারীদের এক জনের হাতে ভারতীয় পতাকা। তারপর থেকেই নিন্দার ঝড় গোটা নেটদুনিয়ায়। বিজেপি নেতা বরুণ গান্ধী ও কংগ্রেস নেতা শশী থারুর। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে শশী থারুর জানিয়েছেন, ট্রাম্প-ভক্তদের মতো চিন্তাবান সেখানে কয়েক জন ভারতীয় ছিলেন, যাঁরা পতাকাকে অস্ত্রের মতো ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: হিংসার আবহেই জয়ের শংসাপত্র পেলেন বাইডেন -কমলা, অবশেষে পরাজয় স্বীকার ট্রাম্পের

বরুণ গান্ধী লিখেছেন, “সেখানে কেন জাতীয় পতাকা। এই যুদ্ধে আমাদের অংশগ্রহণ উচিত নয়।” মার্কিন ক্যাপিটলে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বাইডেন বলেছেন, “গণতন্ত্র নিগৃহীত হয়েছে।” সেই বিক্ষোভে ভারতীয় পতাকার উপস্থিতির কূটনৈতিক প্রভাব ভবিষ্যতে পড়তে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে আমেরিকা সফরে গিয়ে হিউস্টনে অনাবাসী ভারতীয়দের ‘হাউডি মোদী’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, ‘অব কি বার, ট্রাম্প সরকার’ স্লোগান। সে সময়ও আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মোদীর ‘অংশগ্রহণ’ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

যদিও সে দেশে সরকার গড়তে পারেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে ডেমোক্র্যাটরা। আর যেদিন পরাজয় স্বীকার করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, সেদিনই ফের ট্রাম্পের সঙ্গে উঠে এল ভারত প্রসঙ্গ। বাইডেনকে জয়ের স্বীকৃতি দিতে যৌথ অধিবেশন চলছিল মার্কিন কংগ্রেসে। তখনই ট্রাম্প সমর্থকরা হামলা করেন ক্যাপিটল (US Capitol) ভবনে। লন্ডভন্ড হয়ে যায় সমগ্র ক্যাপিটল।

আরও পড়ুন: পাহাড় চূড়ায় প্রেমের প্রস্তাব, ‘হ্যাঁ’ বলার পরই ২০০ মিটার নিচে ছিটকে পড়লেন মহিলা