চিনের সঙ্গে যুদ্ধ হলে ভারতীয় সেনার পাশে থাকবে মার্কিন বাহিনীও! জানাল হোয়াইট হাউস

ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতে যদি ভবিষ্যতে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তবে ভারতীয় সেনার পাশে থাকবে মার্কিন সেনাও। হোয়াইট হাউসের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মারফত এমনই দাবি করেছে ফক্স নিউজ। চিফ অব স্টাফ মার্ক মিডোজকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, ‘চিন বা অন্য কাউকে কোনও এলাকাতেই দাদাগিরি করতে দেব না। এই বার্তা স্পষ্টই।’

‘ভারত চিন পরিস্থিতি হোক বা অন্যত্র, আমাদের সেনারও শক্তিশালী অবস্থান হবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফের এই দাবির পর অন্য মাত্রা নিয়েছে ভারত-চিন পরিস্থিতি।

আরও পড়ুন : আমেরিকাকে ‘শিক্ষা’ দিতে পাল্টা চাল, Apple Store থেকে ৪,৫০০ গেম সরাল চিন!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘন ঘন ভারতের আভ্যন্তরীন বিষয়ে নাক গলাতে চাইছে। কূটনৈতিক মহল মনে করছে, চিনকে টাইট দিতে ভারতের মত একটা জায়গাকে ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করতে চাইছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। চিন ক্রমশ তার প্রভাব বাড়াচ্ছে। নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও পাকিস্তান বর্তমানে অনেকটাই চিন পন্থী। বাংলাদেশের অবশ্য ভারতের সঙ্গে থাকা ছাড়া উপায় নেই। যদিও সেখানেও গাজর ঝোলাতে কসুর করছে না চিন।

ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে আমেরিকা চিনকে টাইট দেবার জন্য ভারতকে ব্যবহার করতে চাইছে। তবে ভারত এত কাঁচা কাজ করবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে যারা ঢুকতে দিয়েছে, পরে তাদের অনেককেই পস্তাতে হয়েছে। এমনকি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নাম করে মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র যে দেশগুলিতে পুতুল সরকার বসিয়েছে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বেড়েছে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা। বেড়েছে জঙ্গিবাদ।

পূর্ব লাদাখের গলওয়ানে ভারতীয় সেনার সঙ্গে সংঘাতের পর থেকেই আন্তর্জাতিক বিশ্বে ক্রামাগত কোণঠাসা হচ্ছিল চিন। আমেরিকা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, এমনকী ন্যাটো (NATO) জোট চিনকে সতর্ক করে। ইউরোপ থেকে এশিয়ায় সেনা সরিয়ে আনে আমেরিকা। দক্ষিণ চিন সাগরে পাঠিয়ে দেয় রণতরীও।

গত রবিবার ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA Ajit Doval) অজিত দোভালের সঙ্গে চিনের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সীমান্তে ছবি পালটাতে শুরু করে। সোমবার সকালেই প্রায় দু’কিলোমিটার পিছিয়ে যায় চিনের লাল ফৌজ। সূত্রের খবর, আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে চিন আরও পিছু হটবে।

আরও পড়ুন : দেশি গার্লের মুকুটে নতুন পালক, ‘ম্যাট্রিক্স ৪’-এ অভিনয় করবেন প্রিয়াঙ্কা