‘যা আছে তোকে সব দিয়ে দেব’, অভিষেক পা ছুঁতেই বিহ্বল সুব্রত বক্সী

দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পদ পেয়ে শিষ্টাচার ভোলেননি তিনি। ভোলেননি যে গুরুজনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আজ তিনি সিংহাসনে তাঁদের কৃতজ্ঞতা জানানোর সৌজন্য।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ছোট থেকে কোলে পিঠে করে বড় করেছেন। আজ সেই যুবকের বৃষস্কন্ধেই গুরুদায়িত্ব। তাঁকে কাছে পেয়ে আর আবেগ চেপে রাখতে পারলেন না সুব্রত বক্সী। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে গিয়ে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতেই জড়িয়ে ধরলেন তিনি। চোখের জলেই তৈরি হলো উত্তরাধিকারের মশাল বহনের এক অনন্য ছবি। সুব্রত বক্সী তাঁকে বললেন, যা আছে, যেটুকু আছে, তোকে উজার করে দিয়ে দেবো।

আরও পড়ুন : ‘‌আপনার বর্ধিত পরিবার রাজভবনে থিতু হয়েছে’‌, স্বজনপোষণ নিয়ে কড়া টুইট মহুয়ার

দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পদ পেয়ে শিষ্টাচার ভোলেননি তিনি। ভোলেননি যে গুরুজনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আজ তিনি সিংহাসনে তাঁদের কৃতজ্ঞতা জানানোর সৌজন্য। রবিবাসরীয় দুপুরে মিষ্টির হাঁড়ি হাতে অভিষেক পৌঁছে যান তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে।  তাঁর সঙ্গে নানা বিষয়ে আলোচনা করেন দলের মহাসচিব। এক ঘন্টা সেখানে ছিলেন অভিষেক। পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় প্রশাসনিক কাজ নিয়ে বিস্তারিত পরামর্শ দেন তাঁকে। এর পরেই অভিষেকের ডেস্টিনেশন সুব্রত বক্সীর বাড়ি।

সুব্রত বক্সী এমনিতেই ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে আবেগপ্রবণ বলে পরিচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসা আর অনুরাগ মনে করাতে পারে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি জওহরলাল নেহেরুর আবেগকে। আর অভিষেকের প্রতি তাঁর রয়েছে অকৃত্রিম বাৎসল্য। তাঁকে ছোট থেকে বড় হতে দেখেছেন তিনি। সাক্ষী থেকেছেন তাঁর প্রতিটি উত্থানের।
আজ বাড়িতে ঢুকেই অভিষেক যখন তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন, কার্যত বিহ্বল হয়ে পড়েন সুব্রত বক্সী। তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। ভোটপর্বে মমতার কষ্টের কথা স্মৃতিপটে আসতেই চোখে জল এল সুব্রতর। মুখে বললেন, মমতাদির কষ্ট দেখেও উপেক্ষা করতে হয়েছে। কী কষ্ট করেছেন ভদ্রমহিলা। অভিষেক উত্তরে বললেন, তোমাকে সুস্থ থাকতে হবে।  আর এভাবেই তৈরি হল পুরোনো নতুনের মেলবন্ধনের এক অনবদ্য ফ্রেম।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চির অনুগত সুব্রত ক্রমে আরও প্রৌঢ় হবেন। অভিষেক হয়তো আরও আরও বড় পাহাড় ডিঙোবেন। থেকে যাবে এই ফ্রেমটুকু। এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে হাতে যখন রাজনীতির মশাল যায়, তখন এর চেয়ে ভালো দৃশ্য আর কী হতে পারে!

আরও পড়ুন : ভালো নেই দিলীপ কুমার! ফুসফুসে জল জমেছে, কমেছে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রাও

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest