bjp leader rupa ganguly logout from virtual meeting of bjp

‘ভাটের বৈঠকে আমাকে ডাকবেন না’, বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রূপা,অস্বস্তিতে দিলীপ-সুকান্ত

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

সামনেই কলকাতা পুরসভা নির্বাচন। আর তার মধ্যেই বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতির মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছল যে, ভার্চুয়াল বৈঠক থেকে বেরিয়ে গেলেন রূপা। এই নিয়ে এখন শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য–রাজনীতিতে। এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় করেন বিস্ফোরক পোস্ট। রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের এই পোস্ট বিজেপিকে চরম অস্বস্তিতে ফেলে দিল আবার।

পুরভোট নিয়ে মঙ্গলবার বিজেপির ভার্চুয়াল বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয় দলের রাজ্যসভার সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে  (Roopa Ganguly)। রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ভার্চুয়ালি হাজিরও হন। বৈঠকে ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সর্বভারতীয় সহ সভাপতি তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও ছিলেন কলকাতার দুই সাংগঠনিক জেলার সভাপতিরাও।

সোমবার বিকেলে বিজেপির (BJP) প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার রাত অবধি গেরুয়া শিবিরের মাত্র ২২ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে পেরেছেন। একদিনে কীভাবে বাকি ১২২ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেবে, তা নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক ডেকেছিল বিজেপি (BJP)। সেই বৈঠকে বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তুমুল বচসা দলের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী ও রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের।

সূত্রের খবর, গন্ডগোল এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে অনলাইন বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান রূপা। তার আগে তিনি রাজ্য সভাপতির ভূমিকায় ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন, ‘এ সব ফালতু’ বৈঠকে কেন ডাকা হয়?’ এর পরই বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান রূপা। এ দিনের বৈঠকে সুকান্ত, অমিতাভ ছাড়াও দিলীপ ঘোষ, দীনেশ ত্রিবেদী এবং কলকাতার দুই জেলা সভাপতি উপস্থিত ছিলেন। ১২২ প্রার্থী মনোনয়ন ছাড়াও বৈঠকের আলোচ্য বিষয়বস্তুর মধ্যে ছিল, পুরভোটের রণনীতি এবং ভোটের দিন কীভাবে দুর্গ সামলানোর পাশাপাশি তৃণমূলের মোকাবিলা করা হবে, তা ঠিক করা।

আরও পড়ুন: কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে পরিচারিকা নিয়োগ, ভয়ঙ্কর পরিণতি বর্ধমানের দম্পতির!

তবে হঠাৎ কেন এমন আচরণ করলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়? নেত্রীর করা একটি ফেসবুক পোস্ট দেখে অনেকে মনে করছেন যে তিনি পুরো ভোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে অসন্তুষ্ট। সেই কারণেই নিজের ক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন দলীয় নেতৃত্বের সামনে।

যে ফেসবুক পোস্ট রূপা গঙ্গোপাধ্যায় করেছেন তাতে লেখা রয়েছে, “আজ আমি একেবারে নিশ্চিত হয়ে গেছি যে তিস্তার মৃত্যু কোন নিছক দুর্ঘটনা নয় কিন্তু খুন। ক্ষমা করবে বঙ্গ বিজেপি, আমি নিজের সাধ্যমত গৌরবের পাশে আছি।” আসলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে তিস্তার বদলে তার স্বামী গৌরবকে প্রার্থী করেনি বিজেপি। সেই প্রেক্ষিতেই রূপা এই ধরনের আচরণ করেছেন বলে মনে করছেন সকলেই। উল্লেখ্য, ৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিস্তার স্বামী গৌরব।

জানা গিয়েছে, সুকান্ত মজুমদারই তাঁর বিরক্তির কারণ। পুরভোটের প্রচার কমিটির অন্যতম সদস্য রূপা গঙ্গোপাধ্যায় এভাবে বিদ্রোহ করে ওঠায় চাপে পড়ে গিয়েছে বঙ্গ–বিজেপির নেতারা। কারণ এই খবর এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, বাকি ১২২ জনের মনোনয়ন আজ জমা পড়বে তো?‌

আরও পড়ুন: বাড়ছে Omicron উদ্বেগ, ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে নাইট কারফিউ জারি রাখল নবান্ন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest