Calcutta High court orders WB Primary Board President to pay fine to petitioners

TET: চাকরিপ্রার্থীদের ২০ হাজার টাকা করে দেবেন পর্ষদ সভাপতি! প্রশ্ন-ভুলে বেনজির রায়

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

আদালত অবমাননার জন্য পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক বোর্ডের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে জরিমানা করল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, নিজের পকেট থেকে ১৯ জন মামলাকারীকে ২০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এবং ওই জরিমানা দিতে হবে সাত দিনের মধ্যেই। একই সঙ্গে আদালতে নির্দেশ দিয়েছে, ওই মামলাকারীদের প্রাপ্ত নম্বর দিতে হবে। তাঁরা যদি পাশ নম্বর পেয়ে থাকেন তবে টেট সার্টিফিকেটও দিতে হবে। তার পর ইন্টারভিউ নিয়ে চাকরি দিতে হবে।

ঘটনাটি বেশ কয়েক বছর আগের। ২০১৮ সালে প্রাথমিকের টেট পরীক্ষায় ৬ টি প্রশ্ন ভুল ছিল, এমন অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন পরীক্ষার্থীরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্বভারতীর বিশেষজ্ঞদের দিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। সে সময় বিচারপতি চট্টোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন যাঁরা যাঁরা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন তাদেরই পুরো নম্বর দিতে হবে। তারপর সেই অভিযোগের তদন্ত করে পর্ষদের তৈরি প্রশ্নপত্রে ছ’টি প্রশ্ন ভুল ছিল বলে জানায় কমিটি। যদিও  বছর  পেরিয়ে গেলেও  তারপরেও মেটেনি সমস্যা। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ প্রশ্ন ভুল হওয়া সত্বেও প্রায় ৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও পূর্ণ নম্বর দেয়নি পর্ষদ। তারপর ফের আদালতের দ্বারস্থ হয় ওই পরীক্ষার্থীরা। সেই মামলার ভিত্তিতই এদিন এমন নির্দেশ দিল আদালত।

শুক্রবার এই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। প্রাথমিক বোর্ডের কাছে বিচারপতি জানতে চান, নির্দেশ সত্ত্বেও কেন সেই নম্বর দেওয়া হয়নি। এই ঘটনা মামলাকীরাদের হেনস্থা করার সমান বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তার পরই বোর্ড সভাপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয় মামলাকারীদের প্রত্যেককে জরিমানা দিতে হবে।

গতকাল, বৃহস্পতিবার এ নিয়ে মামলাটির দীর্ঘ শুনানি হয় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বেঞ্চে। সেই শুনানিতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের যুক্তি ছিল, ছোটোখাটো ভুল হয়ে গিয়ে থাকতে পারে। অপরদিকে, মামলাকারীদের পাল্টা যুক্তি ছিল, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ভুলটা চোখে আঙুল দিয়ে ধরিয়ে দিয়েছিল হাইকোর্ট৷ তারপরও ভুল মানে সেটা ইচ্ছাকৃত। এরপর এদিন কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিল, তাতে মুখ পুড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest