কেন্দ্রের চিঠিতে ‘গোর্খাল্যান্ড’ শব্দ! ফের কি বাংলা ভাগ চাইছে বিজেপি? সওয়াল তৃণমূলের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

গোর্খাল্যান্ড নিয়ে নোংরা রাজনীতি আগেও করেছে কেন্দ্রীয় বিজেপি। বারবার পাহাড়বাসীকে খেপিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে সমতলের বিরুদ্ধে। কোনও বিদেশী শক্তি নয়, দিল্লির শাসক দল এই কম্মটি করে আসছে। ভোট এলেই এই ইস্যুটি টেনে বের করে অশান্তি বাধানোর চেষ্টা হয়। এমনটাই অভিযোগ নানা মহলের। এমনিক বাংলায় যারা বিজেপি করে তারা অনেকেই কেন্দ্রীয় শাসক দলের এই খেলা সমর্থন করে না।

‘গোর্খাল্যান্ড’ ইস্যু উস্কে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। এনিয়ে আলোচনা করতে বৈঠক ডেকেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিসান রেড্ডি। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রসচিব, দার্জিলিঙের জেলাশাসক, জিটিএ-র প্রধান সচিব ও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতিকে।

তৃণমূলের অভিযোগ, বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি । কেন্দ্রের চিঠিতে জ্বলজ্বল করছে ‘গোর্খাল্যান্ড’ শব্দটি। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই আপত্তি তুলেছে তৃণমূল। তাদের বক্তব্য, গোর্খাল্যান্ড শব্দের ব্যবহার করে কী বোঝাতে চাইছে কেন্দ্র? তবে কি বাংলা ভাগ চায় বিজেপি! এটা হতে দেওয়া যাবে না।

আরও পড়ুন : উন্নাও, কাঠুয়া কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি! হাথরাস অভিযুক্তদের সমর্থনে সভার আয়োজন বিজেপির

৭ অক্টোবর, বুধবার বৈঠক ডাকা হয়েছে। পৌরহিত্য করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিসান রেড্ডি। ওই বৈঠকে ডাক পেয়েছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব, দার্জিলিঙের জেলাশাসক, জিটিএ-র প্রধান সচিব ও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি। মোর্চার রোশন গিরি জানিয়েছেন, বৈঠকে প্রতিনিধি পাঠাবেন তাঁরা।

গত অধিবেশনেই লোকসভায় দাঁড়িয়ে দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন,”মোদী সরকার অনেক বড় সমস্যার সমাধান করেছে। পাহাড় ও ডুয়ার্সের মানুষও স্থায়ী সমাধান চান। দীর্ঘদিন ধরে গোর্খাল্যান্ডের দাবি করে আসছেন তাঁরা। ২০১৯ সালে নির্বাচনী ইস্তাহারে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি।”

তবে অনেকে বলছেন বিজেপির এই ইস্যু লোকসভার জন্য ঠিক ছিল। বিধানসভার জন্য এটা ভুল ইস্যু। বাংলার লোক আর যাই হোক পাহাড় তাদের হাতছাড়া করতে ভোট দিতে রাজি হবে না। মুশকিল হল বাংলায় বিজেপির যেসব নেতা নড়েচড়ে বেড়াচ্ছেন তারা নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে বিজয় চিন্তায়। তাই কেন্দ্রীয় দল যা বলবে এরা তাতে ঘর নাড়বে। এদের সদাই ভয় ‘আমি ঘর না নাড়লে অন্য জন ঘাড় নাড়বে, নিজের আখের নষ্ট করে লাভ নেই।

আরও পড়ুন : কিটো ডায়েটের জের, অকালে প্রয়াত বলিউডের এই বাঙালি অভিনেত্রী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest