Daughter of Anil Biswas writing in the Trinamool mouthpiece, Alimuddin forbade the leaders to open their mouths

তৃণমূল মুখপত্রে অনিল-কন্যার লেখা! নারীশক্তি নিয়ে উল্লেখ মমতারও, নেতাদের মুখ খুলতে বারণ আলিমুদ্দিনের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

তৃণমূলের মুখপত্রে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর লেখা।সিপিএমের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক তথা পলিটব্যুরো সদস্য প্রয়াত অনিল বিশ্বাসের মেয়ে অজন্তার সেই লেখা প্রকাশের পর আলোড়ন তৈরি হয়েছে রাজ্য সিপিএমের অন্দরে। তবে এ নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে নারাজ আলিমুদ্দিন ষ্ট্রিট। দলের সব নেতাকে এ নিয়ে মন্তব্য করতে বারণ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

বামপন্থী সমর্থকরাই শুধু নন, রাজনীতি নিয়ে বিন্দুমাত্র সচেতন নাগরিকই জানেন সিপিএম আর অনিল বিশ্বাসের সম্পর্কের কথা। তবে রাজনীতি তো সম্ভাবনার শিল্প। সেই স্রোতে আজ ডান-বাম রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের হাওয়া প্রবল এই মুহূর্তে। অনিল বিশ্বাসের মেয়ে, অধ্যাপক অজন্তা বিশ্বাস তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’য় লিখেছেন। লেখার বিষয় – বঙ্গ রাজনীতিতে নারীশক্তি। বর্তমান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বাংলায় যা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তবে ‘গোঁড়া’ সিপিএম অজন্তার এহেন কাণ্ডে খানিক বিচলিত। লেখালেখির ‘ব্যক্তি স্বাধীনতা’য় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না, প্রথম সারির নেতার এই প্রতিক্রিয়া অন্দরের বৈঠকেই পালটে গেল। রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে রীতিমতো শোরগোল শুরু হয়েছে বিষয়টি নিয়ে।

গত ২১ জুলাই থেকে প্রকাশিত হচ্ছে তৃণমূলের দৈনিক মুখপত্র। বুধবার সেখানে অনিল-কন্যার উত্তর সম্পাদকীয় লেখা প্রকাশিত হতেই গুঞ্জন শুরু হয় রাজ্য রাজনীতিতে। লেখাটি নজরে আসে সিপিএম নেতৃত্বের। তারপরেই তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। প্রশ্ন ওঠে, কীভাবে সিপিএমের সদস্য হয়ে অজন্তা বিপরীত আদর্শের একটি দলের মুখপত্রে উত্তর সম্পাদকীয় লেখেন? সিপিএমের এক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বলেন, ‘‘লেখালেখির ক্ষেত্রে দল সাধারণত ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে না। তবে উনি দলের সঙ্গে জড়িত। পার্টি লাইন কোথাও ভেঙেছেন কি না, সেটা তো দেখার বিষয়।’’

আরও পড়ুন : ভারতে গেলে ৩ বছর ভ্রমণ নিষিদ্ধ! নাগরিকদের হুঁশিয়ারি সৌদির

অজন্তার লেখা নিয়ে ওই নেতার এমন মন্তব্য নজরে আসে সিপিএমের রাজ্য নেতৃত্বের। তারপরেই আলিমুদ্দিন ষ্ট্রিট থেকে ওই নেতাকে মন্তব্য করতে বারণ করে দেওয়া হয়। দলগত সিদ্ধান্ত নিয়েই রাজ্য নেতাদের এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে বারণ করা হয়েছে।

২১ জুলাই থেকে তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’ (Jago Bangla) দৈনিক হয়েছে। আপাতত ডিজিটাল মাধ্যমে রোজ প্রকাশিত হচ্ছে পত্রিকাটি। ২৮ জুলাইয়ের সংস্করণে দেখা গেল, ‘বঙ্গ রাজনীতিতে নারীশক্তি’ বিষয়ে একটি উত্তর সম্পাদকীয় লিখেছেন ড. অজন্তা বিশ্বাস। সম্পর্কে তিনি সিপিএমের অবিসংবাদী নেতা অনিল বিশ্বাসের কন্যা। দুটি কিস্তিতে তা প্রকাশিত হচ্ছে। বুধের পর বৃহস্পতিতে শেষ কিস্তি প্রকাশিত হবে। সেখানে সম্ভবত ইতিহাসের সরণি বেয়ে ধীরে ধীরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  (Mamata Banerjee) পর্বে পৌঁছবে। শুধু তাই নয়, অজন্তা পেশায় অধ্যাপক এবং বাম সমর্থিত অধ্যাপক সংগঠনের সদস্যও। তাঁর এহেন প্রোফাইল নিয়ে ‘চিরশত্রু’ তৃণমূলের মুখপত্রে উত্তর সম্পাদকীয় লেখা একদিকে রাজনৈতিক মহলে যেমন বিস্ময় উদ্রেগকারী, তেমনই একাধিক প্রশ্নও তুলে দেয়।

আজ থেকেই শুরু হয়েছে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক। তার আগে অজন্তা বিশ্বাসের এই প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়ে সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য সুজন চক্রবর্তীর প্রতিক্রিয়া ছিল, ”সাধারণত লেখালেখির ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতায় আমরা হস্তক্ষেপ করি না। তবে উনি পার্টির সঙ্গে জড়িত। পার্টি লাইন কোথাও ভাঙছেন কি না, তা দেখার বিষয়।” যদিও বৈঠক শুরু হতেই সুজনের এই ‘ব্যক্তি স্বাধীনতা’ সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া ঠিক ততটা সহজ সরল রইল না। কারণ, বৈঠকে অজন্তা সম্পর্কে রীতিমতো খোঁজখবর শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ বেরিয়ে আসছে।  বাবার মৃত্যুর পর অনিলকন্যা দল থেকে কী কী সুযোগসুবিধা নিয়েছেন, সেসবও আজ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠছে।

আরও পড়ুন : ভারতে গেলে ৩ বছর ভ্রমণ নিষিদ্ধ! নাগরিকদের হুঁশিয়ারি সৌদির

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest