Diplomat Fumio Kishida leads the race for the PM's job in Japan

জাপানে প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে কূটনীতিক ফিউমিও কিশিদা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী তথা শাসক দল এলডিপি-র প্রবীণ নেতা ফুমিয়ো কিশিদা। প্রতিদ্বন্দ্বী তারো কোনো আপেক্ষিক ভাবে জনপ্রিয়তায় তাঁর চেয়ে এগিয়ে থাকলেও অল্প ব্যবধানে তাঁকে পিছনে ফেলে বুধবার এই জয় ছিনিয়ে নেন কিশিদাই।

বছর খানেক দায়িত্বে থাকার পর সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেন দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। আজকের জয়ের পর সুগা-র উত্তরাধিকারী হিসেবে ৬৪ বছর বয়শি কিশিদার অভিষেক এক প্রকার নিশ্চিত বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। আগামী সাধারণ নির্বাচনে এলডিপি-র হয়ে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য লড়বেন কিশিদা।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (Liberal Democratic Party) নতুন নেতা হিসেবে আগামী সোমবার, সংসদে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হবেন কিশিদা। তাঁর দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও তাদের জোটসঙ্গীরা সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ। সেক্ষেত্রে নেতা নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম।

প্রথম ধাপে দুই মহিলা প্রতিদ্বন্দ্বী সেনেই তাকাইচি (Sanae Takaichi ) ও সেইকো নোদাকে (Seiko Noda) প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে পিছনে ফেলেন কিশিদা। প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি নিয়ে দেশের ওপর মন্ত্রী তারো কোনোর (Taro Kono) সঙ্গে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। শেষমেষ তাঁকে ছাপিয়ে এগিয়ে গেলেন ফিউমিও কিশিদা।

জাপানের (Japan) রাজনৈতিক মহলে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে ফিউমিও কিশিদা জাপানে এখনও বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেননি। দেশের রাজনীতিতে নরমপন্থী ভাবমূর্তির জন্যই তিনি পরিচিত। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির বেশ কিছু হেভিওয়েট নেতাদের সমর্থন তাঁর ওপর থাকার ফলেই বাকিদের তিনি পিছনে ফেলে দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

করোনা টিকা (covid vaccine) বন্টনের দায়িত্ব থাকা মন্ত্রী তারো কোনো জাপানের রাজনীতিতে উদীয়মান তারকা হিসেবে উঠে আসছিলেন। তাঁর জনপ্রিয়তাও দিন দিন বাড়ছিল। কোনোর এই দ্রুত উত্থান অনেকেই ভালোভাবে নেয়নি, সেই কারণেই কিশিদা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করে কোনোকে দমানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেই মনে করেন সে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest