Dumdum's family in a legal battle against the municipality representative

পুর প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনি যুদ্ধে দমদমের পরিবার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

মেয়ে হারিয়েছেন, তাই আর রাজনীতিক পাঁক ঘাঁটতে চান না দমদমের (Dumdum) বান্ধবনগরের স্নেহা বণিকের মা। কিন্তু যারা প্রকৃত দোষী, তাঁদের শাস্তি দেওয়ার জন্য আদালত পর্যন্ত তাঁরা যাবেন, সে কথাও জানিয়ে রেখেছেন।

জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দমদমের বুকে দুই ছোট্ট মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর ৭২ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই এই মৃত্যু নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও শুরু। শুক্রবারই বান্ধবনগরে গিয়ে স্বজনহারাদের পাশে দাঁড়ান বিজেপি নেতারা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার-সহ সাংসদ অর্জুন সিংও গিয়েছিলেন সেখানে। তাঁরা বেরিয়ে যাওয়ার পর স্নেহার মা পিঙ্কি বণিক জানান, “আমরা এতে রাজনীতি চাই না। কিন্তু আমি শুধু বলব, যে আমার মেয়ের মৃত্যুর কারণ তাঁর শাস্তি হোক।”

এই মৃত্যুর জন্য কাকে দায়ী করছেন পিঙ্কিদেবী? মেয়ে-হারা মায়ের কথায়, “অবশ্যই আমাদের কাউন্সিলর (বর্তমান পুর প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য)। ওঁর গাফিলতির কারণেই আজকে আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। লাইট পোষ্টটা যদি ঠিক থাকত, না ওখানে বিদ্যুৎ খোলা অবস্থায় থাকত, না বাচ্চা দুটোকে প্রাণ হারাতে হত। বাচ্চাগুলোর যখন কারেন্ট লেগেছে তখন পাশে কাউন্সিলের ছেলেগুলো দেখছিল দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। কিন্তু ওঠানোর কেউ ছিল না। ওরা ভিডিয়ো করেছে, ফটো তুলেছে। কেউ বাঁচাতে আসেনি। যখন আমাদের ডাকছে তখন এক ঘণ্টা হয়ে গিয়েছে। আমরা হাসপাতালে গেছি। তখন ডাক্তার বলছে ১০-১৫ আগে আনলে বাঁচানো যেত।”

সরকারের পক্ষ থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক দিতে চাওয়া হলেও সেটা নিতে অস্বীকার করেছে বণিক পরিবার। বরং তারা সন্তান ফিরে পেতে চায়। কান্নায় ভেঙে পড়ে এ দিন স্নেহার মা বলেন, “আমার বুকটা খালি হয়ে গিয়েছে। মেয়েটার জন্য দিন-রাত কাঁদছি। আমার মেয়েটা আমার কাছে নেই। মা বলে ডাকার মতোও আমায় আর কেউ নেই। আমার কষ্ট কি টাকার বিনিময়ে মেটাতে পারবে? ওঁদের তিন লাখের বদলে আমি পাঁচ লাখ দেব, আমার মেয়েকে ফিরিয়ে দিক। রাস্তার থেকে ভিক্ষা করে দেব। আমি তো মা। সন্তানের মৃত্যুর বিনিময়ে টাকা নিয়ে কী ভাবে মুখ বন্ধ করে থাকব?”

স্নেহার মা ও মাসি স্পষ্ট ভাষায় স্থানীয় পুর প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য সুরজিৎ রায়কেই গোটা ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন। একই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, মেয়ের মৃত্যু নিয়ে যাতে রাজনীতি না করা যায়, তার জন্য আইনি পথ ধরেই হাঁটবেন তাঁরা। তবে কোনও রাজনৈতিক দল যদি সহযোগিতা করতে চায়, করতে পারে।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest