মিছিলে গরহাজির শোভন-বৈশাখীর অফিস ঘরে তালা ঝুলিয়ে দিল বিজেপি! ছিঁড়ে দেওয়া হল নেমপ্লেট

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

শোভনের প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছিল মুরুলিধর সেন লেনের বিজেপির রাজ্য দফতর৷ নব কলেবরে সেজে ওঠা বিজেপির রাজ্য দফতরে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল বিশেষ ঘর। ঘরের বাইরের দরজায় সাঁটানো হয়েছিল শোভনের নামফলক।

কিন্তু আলিপুর থেকে দলের পদযাত্রায় শোভন চট্টোপাধ্যায়ের (Sovan Chatterjee) অংশ না নেওয়ার কারণে চরম বিব্রত বিজেপি।শোভন- বৈশাখীর ঘরে ঝুলিয়ে দেওয়া হল তালা; ছিঁড়ে ফেলা হল যত্ন করে লাগানো নেমপ্লেট। আর তাতেই কি এই সিদ্ধান্ত? রাজনৈতিক মহলে তুঙ্গে জল্পনা। যদিও বিজেপির তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মুরুলিধর সেন লেনের, বিজেপির রাজ্য দফতর দোতলার এই ঘর বরাদ্দ হয়েছিল মুকুল রায়ের জন্য। দোতলায় অপ্রশস্ত সিঁড়ি দিয়ে ওঠা নামা করা অসুবিধা সত্বেও মুকুল রায় ওই ঘরেই বেশ কিছুদিন তাঁর অফিস সাজিয়ে কাজ করেন। কিন্তু ঘরের সামনে অপ্রশস্ত করিডোরে দর্শনার্থীর ভীড় জমে যেত। আর, তা নিয়ে দলের অনেকেই আপত্তি তোলে। শেষমেশ, করোনার আবহে বিজেপির রাজ্য দফতরে যাওয়া একেবারে বন্ধ করে দেন মুকুল।এরপর সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদ পেয়েও বিজেপির রাজ্য দপ্তরে আর যাননি মুকুল। বর্তমানে মুকুল রায়ের অফিস হেস্টিংসের ৮ তলায়। ফলত এই ঘরেই শোভনকে বসাতে চাইছে বিজেপি।

সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য কমিটির নেতা হয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে কলকাতা ও দক্ষিন ২৪ পরগনার গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, পদ পেতেই বিজেপির রাজ্য দফতরে একটি স্থায়ী অফিস চেয়েছিলেন শোভন। শোভনের সেই দাবি মেনে এই ঘর বরাদ্দ করা হয়। দলে যোগ দেওয়ার প্রায় দেড় বছর পরে দায়িত্ব পান শোভন-বৈশাখী। তার আগে অবশ্য রাজনৈতিক মহল দেখেছে বৈশাখীর গোসা ও তাঁর মান ভাঙাতে শোভনের আপ্রাণ প্রয়াসকেই।

আরও পড়ুন: নতুন বছরের উপহার, এবার ট্রামে চড়লেই মিলবে WiFi সুবিধা

কিন্তু এদিন ফের গোসা হয়েছে বৈশাখীর। তাই তিনি মিছিলে আসেননি। আর তাতেই নাকি এলেন না শোভন! তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, এমন দাবি করে মিছিলে আসবেন না বলে জানিয়ে দেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এর পরই শোভনেরও মিছিলে আসার সম্ভাবনা কমতে থাকে৷ পরিস্থিতি আঁচ করে দেবজিৎ সরকার সহ রাজ্য বিজেপি-র নেতারা ফের একবার শোভন- বৈশাখীকে বোঝাতে তাঁদের ফ্ল্যাটে হাজির হন৷ কিন্তু তাতেও বরফ গলেনি৷ দলকে চরম অস্বস্তিতে ফেলে দু’ জনেই গরহাজির থাকেন৷

এই মিছিলকে কলকাতার বুকে শোভনের রোড শো হিসেবেই দাবি করা হচ্ছিল৷ যার মূল আকর্ষণ ছিলেন শোভন- বৈশাখী৷ রবিবার রাত পর্যন্ত মিছিলের আয়োজন নিয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন দু’ জনে৷ শোভনের গোলপার্কের ফ্ল্যাটেই এই বৈঠক হয়৷ এ দিন সকাল থেকে রোড শোর আয়োজনে শোভন- বৈশাখীর ছবি নিয়ে হাজির হন বিজেপি সমর্থকরা৷ কিন্তু তার পরই ছন্দপতন৷

অস্বস্তি কাটাতে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় মিছিলে যোগ দিয়ে দাবি করেন, ‘এটা বিজেপি-র দলীয় মিছিল৷ কোনও ব্যক্তির জন্য নয়৷’ শোভন- বৈশাখী কেন এলেন না, তা নিয়ে মুখে কুলুপ আঁটেন বিজেপি নেতারা৷

আরও পড়ুন: ‘কৃষকদের সঙ্গে রাজনীতি নয়’, কেন্দ্রের ‘কৃষক সম্মান নিধি’ প্রকল্প চালু করতে সম্মতি মুখ্যমন্ত্রীর

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest