বিধিনিষেধে ‘লঘু’ মমতার, খুচরো দোকান খোলায় ছাড়- চলতে পারে IT অফিসও

যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ থাকলেও খোলা রয়েছে পেট্রোল পাম্প, গাড়ি মেরামতির দোকান৷
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

মারাত্মকভাবে বেড়ে যাওয়া করোনা পরিস্থিতির কারণে ১৬ মে থেকে কড়া বিধিনিষেধে চলে গিয়েছিল বাংলা। প্রথমে রাজ্য সরকারের তরফে নির্দেশ ছিল, ৩০ মে পর্যন্ত চলবে এই কড়া বিধিনিষেধ প্রক্রিয়া(Almost Lockdown In West Bengal)। কিন্তু রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সামান্য কমলেও পরিস্থিতি এখনও ভয়াবহ। তাই সেই বিধিনিষেধের সময়সীমা বাড়িয়ে ১৬ জুন পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

কিন্তু এবার খুচরো দোকানের জন্য আলাদা করে সময় বরাদ্দ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এদিন জানান, দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত খোলা থাকবে খুচরো দোকান। একইসঙ্গে তিনি জানান, ১০ শতাংশ কর্মী নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলি কাজ করতে পারবে। রাজ্যে করোনা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতির জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে, কড়া বিধিনিষেধ আপাতত ১৬ জুন পর্যন্তই চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রাজ্যে কড়া বিধিনিষেধের বিষয়ে আগেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘দয়া করে লকডাউন কার্ফু এসব বলবেন না। বিধিনিষেধ জারি থাকছে এটাই বলুন।’ তবে, সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, রাজ্যে সমস্ত গণপরিবহণ বন্ধই থাকছে এখনও। সরকারি- বেসরকারি বাস, ট্যাক্সি, অটো, ফেরি পরিষেবা- সবকিছুর চলাচলের উপরেই জারি থাকছে নিষেধাজ্ঞা। কেবলমাত্র জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অটো, ট্যাক্সির মতো যানবাহনও রাস্তায় বেরোতে পারবে না৷ তবে বিমানবন্দর থেকে চালু থাকছে ট্যাক্সি পরিষেবা৷

আরও পড়ুন: ‘দয়া করে নোংরা খেলা খেলবেন না’, মুখ্যসচিবের বদলি নিয়ে ফুঁসে উঠলেন মমতা

এদিন নবান্ন থেকে মমতা বলেন, ‘নির্মাণকর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা করে নির্মাণ কাজে লাগানো যেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে মাস্ক পরে, করোনা বিধি বজায় রেখে কাজ করাতে হবে।’

যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ থাকলেও খোলা রয়েছে পেট্রোল পাম্প, গাড়ি মেরামতির দোকান৷ সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টো পর্যন্ত ব্যাঙ্ক খোলা থাকছে৷ চালু থাকছে সমস্ত অনলাইন পরিষেবা৷ মিষ্টির দোকান খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত৷ তবে চা বাগানগুলির ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করা হচ্ছে৷ জুট মিলগুলি ৩০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ চালু রেখেছে৷
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest