মহম্মদ সেলিম-সহ কৃষক আন্দোলন সমর্থক ২৫০ অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করল টুইটার

টুইটারের এই পদক্ষেপের পিছনে বিজেপি ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের মদত রয়েছে বলে দাবি করেন সেলিম।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য তথা প্রাক্তন সাংসদ মহম্মদ সেলিমের (Mohammed Salim) টুইটার অ্যাকাউন্ট। কেন্দ্রের তিন নয়া কৃষি আইনের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার হওয়া এবং কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানানোয় এই পদক্ষেপ বলে অভিযোগ সিপিএমের।

দিল্লির কৃষক আন্দোলনে লাগাতার সমর্থন জানিয়ে আসছিলেন বাম নেতারা। এমনকী ‘লাল কেল্লায় লাল নিশান, মাঙ রাহা হ্যায় হিন্দুস্তান’ স্লোগান তুলে সরব হয়েছিলেন তাঁরা। দিল্লির কৃষক আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাম নেতা হান্নান মোল্লা। মহম্মদ সেলিম সরাসরি সেই আন্দোলনে যুক্ত না হলেও লাগাতার কৃষকদের পাশে থেকেছেন তিনি।

বিতর্কিত কৃষি আইনের প্রতিবাদে দিল্লিতে দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কৃষকরা। তবে সাধারণতন্ত্র দিবসের অশান্তির পরই একাধিক টুইটার হ্যান্ডেল থেকে ভুয়ো এবং উসকানিমূলক টুইটের অভিযোগ জমা পড়তে থাকে টুইটার কর্তৃপক্ষের কাছে।

আরও পড়ুন:বাজেট পেশের পর বাড়ল মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা, দাম বাড়ল ভোজ্য তেল -ডাল -আপেলের…

শেষপর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে সোমবার তাই ওই ২৫০টি অ্যাকাউন্ট ব্লক করার সিদ্ধান্ত নিল টুইটার। এরপর প্রত্যেকের টুইটার হ্যান্ডেলেই লেখা দেখাতে থাকে “Account withheld”। তার নিচে লেখা ছিল, “আপাতত আপনার অ্যাকাউন্টটি withheld করা হয়েছে।”

এদিন দুপুরে মহম্মদ সেলিমের টুইটার অ্যাকাউন্ট খুলতে গিয়ে দেখা যায় সংস্থার পক্ষে জানানো হয়েছে, ‘আইনি কারণে ভারতে অ্যাকাউন্টটি স্থগিত রাখা হয়েছে’।ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে সিপিআইএম। রাজ্য সিপিআইএমের পক্ষ থেকে টুইট করে এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনাও করা হয়েছে।

এই ঘটনাকে নতুন ধরনে ‘জরুরি অবস্থা’ বলে মন্তব্য করেন সেলিম। তাঁর কথায়, ‘‘বাজেটের পর কৃষকদের নিয়ে আমি একটি টুইট করেছিলাম, তার পরেই দেখতে পাই আমার টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার নিজেদের বিপরীতে কাউকে কথা বলতে দেবে না। খোঁজ নিয়ে দেখলাম, যাঁরা কৃষক আন্দোলনের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, আজ তাঁদের অনেকের অ্যাকাউন্টই বিনা নোটিসে বন্ধ করা হয়েছে। এটা একটা নতুন ধরনের জরুরি অবস্থা। আমাদের দাবি, নিঃশর্তে সমস্ত অ্যাকাউন্টের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলতে হবে।’’

টুইটারের এই পদক্ষেপের পিছনে বিজেপি ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের মদত রয়েছে বলে দাবি করেন সেলিম। তাঁর কথায়, ‘‘বিজেপি-র আইটি সেল টুইটারে ভুয়ো খবর ছড়ালেও, তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশের পর বিজেপি-র আইটি সেলের পরিকল্পনায় দিল্লি, উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সংগঠিত হয়েছিল তখন সবাই চুপ ছিল। আর এখন আমরা যখন কৃষক তথা দেশের মানুষের স্বার্থে সরব হলাম, আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হল। আসলে টুইটার, ফেসবুক তাদের ব্যবসায়ী স্বার্থে বিজেপি ও আরএসএসের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে।’’

আরও পড়ুন: অর্থনীতির ‘সাড়ে বারোটা’! বাজেট ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় দেশ, লাল সালু মোড়া ট্যাব হাতে নির্মলা

 

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest