হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন মিঠুন, পুলিশকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ আদালতের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বাংলার বিধানসভা ভোটে (West Bengal Assembly Election 2021) চূড়ান্তভাবে পর্যুদস্ত হয়েছে বিজেপি। আর তৃণমূল প্রবলভাবে ফের ক্ষমতায় এসেছে। আর তারপর থেকেই সেভাবে প্রকাশ্যে আসেননি মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। এ বারের ভোটে বিজেপির হয়ে জোরকদমে প্রচার করেছিলেন অভিনেতা মিঠুন। দাবি করেছিলেন, BJP ক্ষমতায় এলে ৬ মাসেই বদলে যাবে বাংলা। কিন্তু বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার ডাক দিতে গিয়ে বেশ কয়েকবার ‘মহাগুরু’র মুখে এমন মন্তব্য শোনা গিয়েছে, যা অত্যন্ত উস্কানিমূলক বলেই দাবি রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের। তাই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল মামলাও। তা খারিজ করতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই আবেদন কোনও কাজে এল না।

এদিন ওই মামলায় পুলিশি তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মিঠুন চক্রবর্তীকে। তবে, ‘মহাগুরু’র জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর, তাঁর সশরীরে হাজির হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়, প্রয়োজনে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক মিঠুনকে।

আরও পড়ুন: কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস সঙ্গে বজ্রপাতের সতর্কতা!

বিজেপির (BJP) হারের পর রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে টুইট করেই মৌনব্রত ভেঙেছিলেন মিঠুন। কিন্তু সেই টুইটের ৪৮ ঘণ্টা পেরতে না পেরতেই বাংলায় নির্বাচনী-উত্তর অশান্তির দায় গিয়ে পড়েছিল মিঠুন চক্রবর্তীর ঘাড়ে! তারকা নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভোট প্রচারে গিয়ে গরম সংলাপ আউড়ে ‘খুন-খারাপির উস্কানি’ দিয়েছেন ‘মোদীর সুপারস্টার সেনাপতি’। আর সেই অভিযোগ জানিয়েই ৬মে মাণিকতলা থানায় তাঁর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেছিল তৃণমূল।

মানিকতলা থানায় দায়ের করা এফআইআরে অভিযোগ করা হয় যে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি হয়ে ভোটের প্রচারে ব্রিগেড সমাবেশে  ‘মারবো এখানে লাশ পড়বে শশ্মানে’, ‘এক ছোবলেই ছবি’-র মতো সংলাপ ব্যবহার করেছেন।  এফআইআরে অভিযোগ করা হয়েছে, এই সংলাপগুলি রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার একটি কারণ। মিঠুন চক্রবর্তী হাইকোর্টে তাঁর আবেদনে বলেছিলেন যে, ভোটের প্রচারের সময় তিনি যা বলেছিলেন, সেগুলি সিনেমার সংলাপমাত্র। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তিনি এ ব্যাপারে কোনওভাবেই সম্পর্কিত নন। তৃণমূলের দায়ের করা এই মামলা খারিজের আর্জি জানিয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন  মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর আর্জির পরিপ্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন: রাজ্য বিজেপি-তে ‘লবিবাজি’ বন্ধ হোক, এ বার ফেসবুকে সরব অনুপম হাজরা

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest