Mustard oil touched 200 rupees in the state

রাজ্যে ২০০ টাকা ছুঁয়ে ফেলল সরষের তেল, পুজোর আগে মাথায় হাত মধ্যবিত্তের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

লাফিয়ে বেড়েছে রান্নার গ্যাসের দাম। এক লাফে ৯০০ টাকা পেরিয়েছে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দামও। আর তার জেরেই মধ্যবিত্তের হেঁশেলে আগুন। আর সেই আগুনে আরও ঘি ঢেলেছে ভোজ্য তেলের দাম। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সরষের তেলের (Mustard Oil Price Hike) দাম কেজি প্রতি ২০০ টাকা ছুঁইছুঁই। প্যাকেটজাত তেলের দাম তো আগেই ২০০-র গণ্ডি পেরিয়েছিল। আপাতত সেই দাম কমারও কোনও ইঙ্গিত দেখছেন না ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার এক কিলোগ্রাম সরষের তেল কলকাতায় বিক্রি হয়েছে ১৭৫-২০০ টাকায়। কলকাতা লাগোয়া বিভিন্ন বাজারের দোকানদাররা জানিয়েছেন, গত বছর সেপ্টেম্বরের গোড়ার দিকে এক কেজি সরষের তেলের দাম পড়ছিল ১২৫-১৩০ টাকার মতো। ২০১৯ সালে তো দামটা আরও কম ছিল। জেলার ছবিটাও এক। বাঁকুড়া এবং বর্ধমানে এক কেজি সরষের তেলের দাম ১৮০-২০০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। পুরুলিয়ায় প্রতি কেজির দাম ১৭০-১৮৫ টাকা এবং উত্তরবঙ্গে এক কেজি সরষের তেলের দাম ১৭০-১৮০ টাকার মধ্যে আছে। ব্র্যান্ডেড তেলের দর তো আরও বেশি পড়ছে।

এমনিতেই গত কয়েক মাস ধরে হুড়মুড়িয়ে বেড়েছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম। চলতি মাসের গোড়ায় ভর্তুকিহীন রান্নার গ্যাসের দাম ৯০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। তার ফলে মধ্যবিত্তের হেঁশেলে কার্যত আগুন জ্বলছে। তারইমধ্যে সরষের তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্তের মাথায় হাত পড়েছে। বিশেষত দুর্গাপুজোর আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম লাগামছাড়ায় হয়ে যাওয়ায় আরও সমস্যা বেড়েছে।

যদিও কেন্দ্র জানিয়েছে, এখনই কমছে না ভোজ্য তেলের দাম। আগামী ডিসেম্বর থেকে দাম কমতে পারে। সেই সময় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হ্রাস পাওয়া সম্ভাবনা আছে। সেইসঙ্গে বাজারে আসবে নয়া শস্য। সেই জোড়া অনুঘটকে ভোজ্য তেলের দাম কমতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে দাম যে অনেকটা কমে যাবে, তেমন কোনও আশা দেখাতে পারেনি কেন্দ্র।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest