ভোট বড় দায় ! ষষ্ঠীতে BJPর ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বাঙালিকে শুভেচ্ছা জানাবেন মোদী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ভোটের আগের দুর্গাপুজোয় করোনার জেরে জনসংযোগে পিছিয়ে থাকতে রাজি নয় বিজেপি। তাই শারদোৎসবের প্রথম দিন খোদ প্রধানমন্ত্রীকে হাজির করার পরিকল্পনা করেছে তারা। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে ষষ্ঠীর দিন বিকেলে একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন নরেন্দ্র মোদী। বাঙালির উদ্দেশে বার্তাও দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এমনিতেই সব ঘেঁটে দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের গেরুয়াধারী মুখ্যমন্ত্রী অজয় বিস্ট ওরফে যোগী আদিত্যনাথ। দূর্গা এবং রাম নিয়ে তিনি যে কেলো করেছিলেন তার ফায়দা নিয়ে নেবে ঘাসফুল, এই আশংকায় কাঁটা হয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। অনেক বলছেন সেই ড্যামেজ কন্ট্রোলের নামছেন মোদী।

আরও পড়ুন : আরএসএস প্রধানের গলায় ‘সম্প্রীতির’ সুর! কী বললেন ভাগবত? কেনই বা বললেন ?

বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, ষষ্ঠীর বিকেলে ওই অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হবে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি। নাচে গানে প্রায় ঘণ্টাখানেক চলবে অনুষ্ঠান তার পর যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বাঙালির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তিনি। নিয়ম মেনে শারদোৎসব পালনের অনুরোধ করে শুভেচ্ছা জানাবেন আম বাঙালিকে।

বিজেপি সূত্রের খবর, এমনিতেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিকে হিন্দিভাষীদের পার্টি বলে প্রমাণে মরিয়া তৃণমূল-সহ বিরোধিরা। তার ওপর সম্প্রতি উত্তর প্রদেশে প্রকাশ্যে দুর্গাপুজো আয়োজনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যোগীর সরকারের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে বিরোধীদের প্রচার চালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না বিজেপি। তাই প্রধানমন্ত্রীকে শারদোৎসবে হাজির করল তারা।

লোকসভার সময় মোদিকে নিয়ে বাংলার বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে যে আবেগ ছিল তা আর নেই। তার জন্য বিজেপিই অনেকটা দায়ী। বাংলার সংষ্কৃতিতে তারা গোবলয়ের রাজনীতি ঢোকাতে চাইছে। এখানে চলতে হবে বাংলার নীতি মেনে। সংঘের নীতি ষোলো আনা এখানে কাজ করবে না। সাম্প্রদায়িক হিংসা ও বিদ্বেষের রাজনীতি সীমান্তের কিছু এলাকায় খানিকটা হয়ত কাজে লেগে যেতে পারে। কিন্তু গোটা বাংলায় তা কাজে লাগবে না। এটা বুঝতে পারছে বিজেপি।

অনেকের ধারণা সে কারণেই মুকুল রায়ের এই পদোন্নতি। আরএসএসের হিন্দুত্ব থাকবে। কিন্তু তা থাকবে বাঙালি মোরকে। এটাই হচ্ছে বিজেপির নয়া ফান্ডা। তাই ভাই বলে মুসলমানকে কাছে টানার চেষ্টাও হবে। কিন্তু তা করতে হবে জল মেপে। কারণ হিন্দু ভোট হাতছাড়া করার ঝুঁকি নেওয়াও ঠিক হবে না। সব মিলিয়ে বিজেপি পড়েছে বিপদে।

আরও পড়ুন : আজ থেকে বদলে যাচ্ছে রেলের রিজার্ভেশনের নিয়ম, যাত্রার পাঁচ মিনিট আগেও টিকিট কাটতে পারবেন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest