school-college may reopen after diwali, said bratya basu

কালীপুজোর পরই কি স্কুল-কলেজ খুলছে ? ব্রাত্য বসু যা বললেন…

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ভাইফোঁটার পর রাজ্যে স্কুল খোলার পরিকল্পনা থাকলেও এখনো কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। রবিবার সাংবাদিকদের এমনই জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী হলেও তিনি নন, স্কুল খোলার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।

প্রসঙ্গত, পুজোর পর স্কুল খোলার সম্ভবনা রয়েছে বলে মাস কয়েক আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কালীপুজোর পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারে বলে ভাবছিল শিক্ষাজগৎ। মুখ্যমন্ত্রী তখন জানিয়েছিলেন, খোলার আগে অবশ্য তৎকালীন করোনা পরিস্থিতি বিচার করে তবেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। দুর্গাপুজো মিটে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে। এদিন তারই উত্তর দিয়েছেন ব্রাত্য বসু। তাঁর বক্তব্য, “আমাদের কাছে প্রধান বিবেচ্য বিষয় স্বাস্থ্যবিধি। স্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী চূড়ান্ত নির্দেশ দেবেন। তিনি গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর সম্পর্কে সবথেকে বেশি ওয়াকিবহাল। তাঁর নজরদারিতেই রয়েছে গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি। তা দেখে তিনি যে মুহূর্তে নির্দেশ দেবেন আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করব। যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে তা ধাপে ধাপে সকলকে জানিয়ে দেওয়া হবে।”

২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে রাজ্যে বন্ধ স্কুল কলেজ। করোনা সংক্রমণের জেরে টানা প্রায় দেড় বছর বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দরজা। যার জেরে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে বলে মত শিক্ষাবিদদের একাংশের। কিছু স্কুল অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করলেও তা ক্লাসরুমের বিকল্প বলতে মানতে নারাজ প্রায় সবাই।

এদিন শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে এসেছে। বিজেপি ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। কিন্তু রাজ্যের মানুষ তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই তাস খেলে নির্বাচনে হেরেছে তাঁরা। এখনও যদি এই রাজনীতি করে চলে তাহলে মানুষ তার জবাব দেবেন বলে মনে করেন ব্র‌াত্যবাবু। তাঁর বক্তব্য, আসন্ন পুরসভা, পঞ্চায়েত এবং লোকসভা নির্বাচনে বিভাজনের রাজনীতির কুফল টের পাবে বিজেপি। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, “সব দেশের সরকারেরই কর্তব্য, সেই দেসের সংখ্যালঘু মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া। নরেন্দ্র মোদির আমলে আমাদের দেশে সেই নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি। অথচ এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত ধর্মের, সব সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে নিরাপত্তা দিয়েছেন, সম্প্রীতির পরিবেশ উপহার দিয়েছেন। কেউ সেটা ভাঙার চেষ্টা করলে র‌্যজের প্রশাসন তার যথোপযুক্ত জবাব দেবেন।”

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest