চর্বি ঝড়ে গেলে তা শরীরের পক্ষে ভালো, মুকুলের বিদায়ে কটাক্ষ দিলীপের, ‘ভোটের আগে মনে ছিল না?’ পাল্টা ব্রাত্যর

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায় বিজেপি ছেড়েছেন।এবার আরও অনেক বিজেপি নেতা–নেত্রীরাই বেসুরো গাইতে শুরু করেছেন।এই পরিস্থিতিতে দলত্যাগে ইচ্ছাপ্রকাশ করা নেতা–মন্ত্রীদের প্রতি কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।তাঁর কথায়, চর্বি ঝড়ে গেলে তা শরীরের জন্য ভালো।

সম্প্রতি বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে ফেরা মুকুল রায়ের নাম না করেই কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছিলেন অপর বিজেপি নেতা তথাগত রায়।তিনি জানিয়েছিলেন, মলমূত্র ত্যাগ করলে শরীর খারাপ হয় না। ভালোই থাকে।এবার রাজ্য বিজেপি সভাপতির মুখেও সেই কটাক্ষের সুর।

আরও পড়ুন: FIR বিপাকে Kangana Ranaut! বম্বে হাইকোর্টের শরণাপন্ন নায়িকা

দলত্যাগীদের নিয়ে ফেসবুকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দল ছাড়াকে অভ্যাস বলে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। এবার দিলীপকে বিদ্রুপের সুরে পাল্টা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। দমদমের তৃণমূল বিধায়কের কথায়, “এটা নির্বাচনের আগে মনে ছিল না। যখন উনি দলত্যাগীদের নিচ্ছিলেন। আজকে হঠাৎ মনে পড়েছে।”

দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্য প্রসঙ্গে ব্রাত্য বসু বলেন, “এটা নির্বাচনের আগে মনে ছিল না? যখন উনি দলত্যাগীদের নিচ্ছিলেন তখন মনে ছিল না? আজকে হঠাৎ মনে পড়েছে? এখন ওনারা দলটা কী ভাবে সামলাবেন, বাংলায় দলটা কী ভাবে টেকাবেন ঠিক করুন।”

তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “দিলীপ ঘোষ যা বলেন অবান্তর কথা। দিলীপ ঘোষ তো বলেছিলেন স্ট্রেচারে করে সবাইকে বাড়ি পৌঁছতে হবে। বলেছিলেন জেলে দিয়ে দেবেন, সেখানে বউ বাচ্চার মুখ দেখতে পারবে না। হেরে গিয়ে দিব্যি চায়ে পে চর্চা করে বিবৃতি দিচ্ছেন। ওঁর এতটুকুও লজ্জা লাগল না বলতে, ‘২০০ পার বলে ৭৭-এ এসে ঠেকে গিয়েছি’। উনি পদত্যাগ করছেন না কেন?”

বিধানসভা ভোটের আগে ঝাঁকে ঝাঁকে অনেক নেতা, মন্ত্রী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন।এরপর বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর প্রথম ধাক্কাটা খেলেন মুকুল রায়ের কাছ থেকে।বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলেই ফিরে এলেন মুকুল রায়।ক্রমেই বিজেপির ভিতরে অনেকেই বেসুরো গাইতে শুরু করে দিয়েছেন।তাতেই চোটে লাল দিলীপ। তাদের দলের ‘ত্রাতা’ নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং দলভাঙাটাকে নিজের রাজনৈতিক পারদর্শিতা মনে করতেন। তৃণমূল থেকে লোক ভাঙিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেজায় আনন্দ উপভোগ করতেন। তার সঙ্গে কতজন বিধায়ক ও সাংসদ যোগাযোগ রাখছেন তার খতিয়ান দিতেন। মোদী বাবু ও দিলীপ বাবুরা ভুলে গিয়েছিলেন ঢিল মারলে পাটকেল খেতে হয়। বলছেন অনেকেই।

আরও পড়ুন: IPAC: ২০২৬-এর বিধানসভা পর্যন্ত তৃণমূলের গাঁটছড়া আইপ্যাক-এর, কিন্তু প্রশান্ত কিশোর থাকছেন কি?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest