তৃণমূল ত্যাগীদের টিকিট, হেস্টিংসে বিজেপি দফতরে বিক্ষোভ, ভাঙা হল ব্যারিকেড

শোনা যাচ্ছে, বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে রায়দিঘির প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বিজেপি (BJP)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি ও ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে বিজেপির টিকিট পেয়েছেন তৃণমূল ছেড়ে পদ্মে নাম লেখানো দুই নেতা।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

যত সময় যাচ্ছে, তত প্রার্থী তালিকার কাঁটা বিঁধছে বিজেপির গলায়। রবিবার জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রার্থী নিয়ে যে অসন্তোষ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল, সোমবার তা আছড়ে পড়ল হেস্টিংসে বিজেপি নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে। দুপুর থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখালেন কমপক্ষে তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের কর্মীরা। ক্ষোভের মুখে পড়লেন বিজেপি নেতা শিবপ্রকাশ, অর্জুন সিং, মুকুল রায়রা।

রবিবারই তৃতীয় ও চতুর্থ দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। তাতে পাঁচলায় টিকিট পেয়েছেন মোহিত ঘাঁটি। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের ক্ষোভ জমতে থাকে পাঁচলার একাংশ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে। মোহিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন বিজেপির পুরনো কর্মী সমর্থকরা। তাঁদের অভিযোগ, একমাত্র রাজীব ঘনিষ্ঠ হওয়াতেই মোহিত টিকিট পেয়েছেন। মাত্র দিন পনেরো আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন মোহিত। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এমনকি দেহ ব্যবসা চালানোরও অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি বিজেপি কর্মীদের একাংশের। প্রার্থী বদলের দাবি নিয়ে হেস্টিংসে বিজেপির দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কর্মসূচি নেন তাঁরা।

সোমবার সকালে হেস্টিংসে বিজেপি দফতরের সামনে পাঁচলার কয়েকশো দলীয় কর্মী সমর্থক জমায়েত করেন। তাঁদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড, পোস্টার। দফতরের সামনেই বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। মুকুল রায় যখন দফতরে ঢুকতে যান, তখন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁকে ঘিরেই চলতে থাকে বিক্ষোভ। ওঠে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্লোগানও। দফতরের গেট ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: ঝাড়গ্রামে শাহের সভা বাতিল, বললে লোক পাঠিয়ে দিতাম – কটাক্ষ মমতার

এরইমধ্যে আবার উদয়নারায়ণপুর থেকেও কয়েকশো কর্মী সমর্থক হেস্টিংসে পৌঁছে যান। উদয়নারায়ণপুরের প্রার্থী সুমিতরঞ্জন কাঁড়ার বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন পুরনো বিজেপি কর্মীরা। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গেও ধস্তাধস্তি হয় বিজেপি কর্মীদের। পরে বিক্ষুব্ধদের চার প্রতিনিধিকে আলোচনার জন্য দফতরে ঢুকতে দেওয়া হয়।

সব্যসাচী পরে বলেন, “আমি দলের নির্বাচনী কমিটিতে নেই। তবু কর্মীদের দাবি মেনে আমি শীর্ষ নেতৃত্বকে এ বিষয়ে অবহিত করব।” বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘এটা দলের নিয়ম বিরোধী। অনভিপ্রেত। আমাদের মতো দলে এটা হওয়াটা দুর্ভাগ্যজনক। দল যদি মনে করে এক দিন আগে যোগ দিয়েও টিকিট পাওয়ায় যায়।’’

আরও পড়ুন: তথ্য গোপন করেছেন মমতা! মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে পত্রবোমা শুভেন্দুর

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest