জাকিরের শরীরের তিনটি জায়গায় প্লাস্টিক সার্জারি, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ফরেনসিক আধিকারিকদের ধারণা, আজকের মধ্যেই মন্ত্রীর উপর হামলায় কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহৃত হয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

পায়ে অপারেশন হয়েছে গতকালই। তবে আগামী আরও ২৪ ঘণ্টা ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটেই ডাক্তারদের কড়া নজরদারিতে থাকবেন মন্ত্রী জাকির হোসেন। এরপর প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের অভিজ্ঞ চিকিত্সকরা তাঁর ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গের চিকিত্‍সা ও পুনর্গঠন-পর্ব শুরু করবেন। মূলত প্রাথমিকভাবে দেহের তিনটি জায়গায় প্লাস্টিক সার্জারির পরিকল্পনা করা হয়েছে।

রাজ্যের শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর হামলার ঘটনায় ঘনাচ্ছে রহস্য। তদন্তকারীদের ধারণা, নিমতিতায় দেশি সাধারণ মানের কোনও বোমা বিস্ফোরণ হয়নি। বিস্ফোরণ হয়েছিল উন্নতমানের আইইডি (IED) দিয়ে। বৃহস্পতিবার দিনভর তল্লাশির পর শুক্রবার সকালে ফের নিমতিতা স্টেশনে গিয়েছে সিআইডি (CID) এবং কেন্দ্রীয় ফরেনসিক দল।

আরও পড়ুন: প্রাণের খোঁজে মঙ্গলে পা নাসার মহাকাশ যানের, ইতিহাস গড়ল দুই বাঙালি-সহ ৪ ভারতীয় বংশোদ্ভূত

আজ সকাল থেকে গোটা স্টেশন চত্বর পর্যবেক্ষণ করছেন তদন্তকারীরা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে তদন্তকারীরা এদিন নিমতিতায় রেললাইনের উপর থেকে বাইকের ব্যাটারির একটি অংশ উদ্ধার করেছেন। বিস্ফোরণস্থল থেকে ১০০ মিটার দূরে উদ্ধার হয়েছে একটি লোহার পাতও। আর তাতেই তদন্তকারীদের মনে প্রাথমিক ধারণা তৈরি হয়েছে, বুধবার রাতে রাজ্যের মন্ত্রীর উপর হামলা হয়েছিল উন্নতমানের IED দিয়েই।

গতকালই সিআইডি আধিকারিকরা ঘটনার সময়কার একটি ভিডিও ফুটেজ জোগাড় করতে সক্ষম হয়েছেন। যাতে দেখা যাচ্ছে, মন্ত্রী জাকির হোসেন (Jakir Hossain) যখন প্ল্যাটফর্মে হাঁটছেন, তখন কেউ একজন সামনে পরিত্যক্ত ব্যাগ পড়ে আছে বলে তাঁকে সাবধান করেন।

মন্ত্রীর অনুগামীদের মধ্যে কেউ একজন ব্যাগটি সরাতে গেলে বিস্ফোরণটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। সেই ফুটেজটি খতিয়ে দেখেই হামলার সময় কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে সেটা বোঝার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

ফরেনসিক আধিকারিকদের ধারণা, আজকের মধ্যেই মন্ত্রীর উপর হামলায় কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহৃত হয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে। আজও দিনভর নিমতিতা স্টেশনেই থাকবেন সিআইডি এবং ফরেনসিক আধিকারিকরা। সেজন্য ফরাক্কা ধুলিয়ান, নিমতিতা, জঙ্গিপুর রুটে বন্ধ রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল।

আরও পড়ুন: ‘নাদুস-নুদুস, ফানুস-ফানুস, ফাটুস-ফুটুস চেহারা’, অমিত শাহকে নিয়ে রসিক খোঁচা মমতার