People now will be able to spent nights in Sankrail Eco Tourism amidst greenery

Sankrail Eco Tourism: পুজোর আগেই পাবেন নদীর ধারে রাত কাটানোর সুযোগ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

সুবর্ণরেখা ও ডুলুং। দুই নদীর সংযোগস্থলে সবুজ চর। সেখানেই কটেজে রাত কাটানোর সুযোগ পাবেন পর্যটকেরা। পুজোর আগেই এই বন্দোবস্ত চালু হচ্ছে সাঁকরাইলের কোদোপাল ইকো-টুরিজ়মে।

ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের রোহিণী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কোদোপাল এলাকাটি আসলে ডুলুং ও সুবর্ণরেখার মধ্যবর্তী জেগে ওঠা একটি চর। লোকমুখে এটি ‘সবুজ দ্বীপ’ হিসেবেই পরিচিত।

এখানে ৩২ হেক্টর জমিতে সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে সবুজায়নের পরিকল্পনা করা হয়। একশো দিনের প্রকল্পে গড়ে উঠেছে বহুমুখী জৈব কৃষি খামার। রয়েছে নানা ধরনের ফল ও ভেষজ উদ্ভিদের বাগান। এলাকার ৭টি গ্রামের আড়াইশো আদিবাসী-মূলবাসী পরিবারের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে খামারে। এ ছাড়াও রয়েছে ছোটদের পার্ক ও মুক্তমঞ্চ। পর্যটকদের মনোরঞ্জনে ওই মুক্তমঞ্চে লোকশিল্পীদের অনুষ্ঠান হবে।

আরও পড়ুন: উলঙ্গ পুরুষদের জন্য ছাড় পত্র দিয়ে থাকে রহস্যময়ী ওকিনোসীমা দ্বীপ

প্রশাসন সূত্রে খবর, আরও বেশি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কোদোপালকে ‘ইকো-টুরিজ়ম’ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। ‘জঙ্গলমহল অ্যাকশন প্ল্যান’ ও পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের বরাদ্দে তৈরি হয়েছে ৮টি বিলাসবহুল টুরিস্ট কটেজ। প্রতিটি কটেজে দু’জন করে থাকতে পারবেন। রয়েছে ‘ওয়াচ টাওয়ার’ বা নজর-মিনার। সেখান থেকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখা যাবে। পুরো প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়েছে অপ্রচলিত শক্তি। কটেজগুলি সন্ধের পর আলোকিত হবে সৌর বিদ্যুতে। এলাকায় পরিস্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

নৌকায় ডুলুং নদী পেরিয়ে এই চরে পৌঁছতে হয়। ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর, পুজোর পর নদীর উপর কাঠের সাঁকো তৈরি করা হবে। কোদোপালে ‘ইকো-টুরিজ়ম’ তিন বছর আগে উদ্বোধন হয়েছিল। কিন্তু তা চালু হয়নি। সম্প্রতি সাঁকরাইল ব্লক প্রশাসন কটেজগুলি সংস্কার করেছে। রবিবার সাঁকরাইলের বিডিও রথীন বিশ্বাস, ব্লক ইঞ্জিনিয়ার ও একশো দিনের প্রকল্পের আধিকারিকেরা গোটা এলাকা পরিদর্শন করেন। আপাতত পঞ্চায়েত সমিতির কার্যালয়ে যোগাযোগ করে আগাম কটেজ বুকিং করতে পারবেন পর্যটকেরা। পঞ্চায়েত সমিতির ‘৮৭৯০২৪৪৫০১’ নম্বরে ফোন করে বুকিং করা যাবে। প্রতিটি কটেজের জন্য দৈনিক দু’হাজার টাকা ভাড়া ধার্য করা হয়েছে। বিডিও বলেন, ‘‘পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্য এটি খুব সুন্দর জায়গায়। পুজোর আগেই এটি চালু হয়ে যাবে। ফলে নদীর পাড়েই পর্যটকরা রাত কাটাতে পারবেন।’’

আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকদের জন্য সুখবর! ‘Buy one get one free’-র দুরন্ত অফার দিচ্ছে এই দেশের এয়ারলাইন্স

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest