‘রাজ্যে করোনা বাড়লে দায় কে নেবে?’ পরিযায়ী ইস্যুতে কেন্দ্র, রেলের বিরুদ্ধে তোপ মমতার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

কলকাতা: ভিনরাজ্য থেকে পশ্চিমবঙ্গে ফিরে আসা শ্রমিকদের নিয়ে কী কী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে তার রূপরেখা বেঁধে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ে এব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

রাজ্যের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা না করেই একতরফা ভাবে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরত পাঠাচ্ছে রেল৷ যার ফলে রাজ্যে সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে৷ বুধবার নবান্নে এমনই অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

আরও পড়ুন: বাস চলাচল শুরু, বাড়ল সংখ্যা, জেনে নিন রুট ও স্টপেজ

এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘সব্বাইকে ইন্সটিটিউটশনাল কোয়ারেন্টাইনে রাখতে পারব না। ৫ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যে এসে পড়েছে।’ তিনি বলেন ,মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাত, দিল্লি ও তামিলনাড়ু থেকে যাঁরা ফিরবেন তাঁদের বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিন থাকতে হবে সরকারি কোয়ারেন্টাইনে। বাকি রাজ্য থেকে যারা আসবেন তাদের মধ্যে কোনও উপসর্গ না থাকলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বাড়িতে। সেখানে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে তাদের। আর যাদের পজিটিভ ধরা পড়বে তাদের পাঠানো হবে হাসপাতালে।

ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘একসঙ্গে লক্ষ লক্ষ লোক এসে গেলে আমরা কী করতে পারি? কেন্দ্র যদি আমাদের কথা শুনে একটু সাহায্য করত, রেল যদি একটু আমাদের কথা শুনত, তাহলে অসুবিধা হত না৷ ১৫ দিনে ধীরে ধীরে সবাইকে ফিরিয়ে নেওয়া যেত৷ কিন্তু একসঙ্গে ২ লক্ষ মানুষ চলে এলে কী করব? এত মানুষের মেডিক্যাল টেস্ট কোথায় হবে?’

কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের খাওয়া দাওয়া নিয়েও এদিন জানান মমতা। বলেন, ভাল খাবার দিতে পারব না। দুবেলা ভাত-ডাল-তরকারি মিলবে। তবে কেউ যদি বাড়ির খাবার খেতে চায় তার অনুমতি দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের সামনে রাখা থাকবে টেবিল। সেখানে খাবার রেখে যেতে পারবেন বাড়ির লোকেরা। তবে বাড়ির লোকের সঙ্গে মেলামেশা করার অনুমতি মিলবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ভিনরাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদের ওপর নজরদারির জন্য প্রতিটি ব্লকে টাস্ক ফোর্স তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তিনি বলেন, জেলায় জেলাশাসক ও ব্লকে বিডিওর নেতৃত্বে তৈরি হবে দল। তাতে থাকবেন স্থানীয় থানাগুলির আইসি, BMOH, জেলা পরিষদের সদস্য ও বিধায়ক। তারাই ভিনরাজ্য থেকে ফেরা শ্রমিকরা সঠিকভাবে কোয়ারেন্টাইন করছেন কি না তার ওপর নজর রাখছেন।

আরও পড়ুন: কেন পালিত হয় জামাইষষ্ঠী ? জেনে নিন আসল কথা

Gmail 3
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest