২০ এপ্রিল থেকে কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড়, নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়ে দিল কেন্দ্র

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নয়াদিল্লি: একাধিক শর্ত পূরণ করলে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে কয়েকটি ক্ষেত্রে লকডাউন শিথিলের পথে হাঁটবে কেন্দ্র। সেইমতো বুধবার নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির কথা মাথায় রেখে কয়েকটি ক্ষেত্রকে ছাড় দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: হু ‘চীন ঘেঁষা’ও করোনা মোকাবিলায় ‘ব্যর্থ‘, আর্থিক সাহায্য বন্ধ করল আমেরিকা

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছিল, দিনমজপর ও শ্রমিকরা কাজ শুরু করতে পারবেন। নির্দিষ্ট কিছু শিল্পের চালু করা যাবে। সেজন্য অবশ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি, সব ধরনের পণ্য পরিবহনে ছাড় দেওয়া হবে।খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, ১০০ দিনের কাজ, সেচ ও জল সংরক্ষণে কাজ, রাস্তা তৈরির মতো কাজ শুরু করা যাবে।

বুধবার সকালে ওই নির্দেশিকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী ৩ মে পর্যন্ত লকডাউন চলাকালীন গোটা দেশেই জুড়ে বন্ধ থাকবে বাস-ট্রেন-বিমান পরিষেবা। কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হলেও ওই গাইডলাইন বা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্ধ রাখা হবে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন: এক রাতে ৬২৪ পজিটিভ, ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়াল, মৃত বেড়ে ৩৭৭

তবে, ‘জনগণের কষ্ট লাঘব করতে’ আগামী ২০ এপ্রিলের পর ছাড় দেওয়া হবে কৃষি ক্ষেত্র, তথ্যপ্রযুক্তি, ই-কমার্স এবং আন্তঃরাজ্য পরিবহণ ব্যবস্থায়।এ দিনের নির্দেশিকায় আরও জানানো হয়েছে, ‘‘গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে ওই সব এলাকায় যে সমস্ত কলকারখানা রয়েছে বা সেখানকার খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, সড়ক নির্মাণ, কৃষিকাজের প্রকল্প, নির্মাণ ও শিল্প প্রকল্প, এমএনআরইজিএ-এর আওতায় কাজ, জল সংরক্ষণের কাজ এবং সাধারণ পরিষেবা দেওয়ার কেন্দ্র খোলা রাখা হবে।’’ তবে করোনা-সংক্রমণ ঠেকাতে সবর্ত্র যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হয়, সে দিকেও নজর রাখতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, লকডাউনের সময় এ সব ক্ষেত্রে ছাড়ের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিশেষত ভিন্‌ রাজ্যের শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

আরও পড়ুন: খাবারটুকুও নেই, ঘরে ফেরার তাগিদে বান্দ্রা স্টেশনে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ছাড় মিলবে আন্তঃরাজ্যে পণ্য পরিবহণকারী ট্রাকের যাতায়াতের ক্ষেত্রেও। অপরিহার্য এবং তুলনামূলক ভাবে কম প্রয়োজনীয়— এই দুই ধরনের পণ্য পরিবহণের ওই ছাড় দেওয়া হবে। ওই পণ্যসামগ্রী নিয়ে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ট্রাকগুলি যাতায়াতের সময় তাতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে যাতে তা সারাই করে নেওয়া যায় সে দিকেও নজর রাখা হয়েছে। ফলে ট্রাক সারানোর দোকানগুলিও খুলছে আগামী সোমবার, ২০ এপ্রিল থেকে। সেই সঙ্গে ওই দিন থেকে রাস্তার ধারের ধাবাগুলিও খোলার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র।

সরকারি কাজের জন্য যে সব কলসেন্টার কাজ করে, তা-ও খোলার অনুমতি পাবে আগামী সোমবার থেকে। সেই সঙ্গে ওষুধ ও মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারী কলকারখানাও খোলা যাবে বলে জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনকারী ইউনিট, আইটি হার্ডওয়্যার এবং প্যাকেজিং করার কারখানাগুলিও খোলার কথাও জানানো হয়েছে। ছাড় দেওয়া হবে কয়লা উৎপাদন, তেল ও মিনারেল প্রস্তুতকারী ইউনিটগুলিকেও।

আরও পড়ুন: আসছে হারপুন মিসাইল ও টর্পেডো! করোনা সংকটের মধ্যেই ভারতকে ১২০০ কোটির অস্ত্র বিক্রি আমেরিকার

এ দিনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, দুগ্ধ সরবরাহ, দুগ্ধজাত দ্রব্য, পোলট্রি এবং পশুপালনেও ছাড় দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে চা, কফি এবং রাবার প্ল্যান্টগুলিও খোলা হবে। পরিষেবা ক্ষেত্র এবং ই-কমার্সের গুরুত্বের কথা স্বীকার করে করে কেন্দ্র জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর পরিষেবা চালু করার পাশাপাশি অনলাইনে শিক্ষাদান এবং তার মাধ্যমে দূরশিক্ষার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে লকডাউনের মেয়াদ ৩ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু সেই সঙ্গে তিনি এও বলেন যে, যে সব জেলায় কোনো হটস্পট ২০ এপ্রিলের মধ্যে তৈরি হবে না, সেই সব জেলায় বেশ কিছু বিষয়ে ছাড় দেওয়া হতে পারে।

মোদীর সেই ঘোষণার পরেই এ দিন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

আরও পড়ুন: লকডাউনে ভক্তদের রাতের ঘুম কেড়ে নিচ্ছেন উর্বশী! দেখুন তাঁর উষ্ণ আবেদনের কয়েক ঝলক…

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest