বসন্ত এল মোহনবাগানে, পাঁচ বছর পর ফের ভারতসেরা সবুজ-মেরুন

ওয়েব ডেস্ক: হোলির দিনেই আই লিগের রঙ হল সবুজ-মেরুন। কল্যাণীতে আইজল এফসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে চার ম্যাচ বাকি থাকতেই ট্রফি ঘরে তুলে নিল মোহনবাগান। তিন বার জাতীয় লিগ জয়ের পর দ্বিতীয়বার আই লিগ ঘরে তুলল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।

দোলের দিন যে সবুজ-মেরুন আবির তোলা ছিল, এদিন সকাল থেকেই সেই আবির নিয়ে কল্যাণীর উদ্দেশে রওনা দেন সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। ট্রেনে হোক বা রাস্তায়, একটাই স্লোগান তখন – জয় মোহনবাগান। সেই স্লোগানে গমগম করছিল মাঠও। কিন্তু প্রথমার্ধে কাঙ্খিত গোল পায়নি মোহনবাগান।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বাগান। একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকেন কিবু ভিকুনার ছেলেরা। তেকাঠির কাছে বারবার পৌঁছে গেলেও গোলের মুখ খুলতে পারছিলেন না বেইতিয়ারা। অবশেষে ৭৮ মিনিটে আসে সেই কাঙ্খিত গোল।

ছোট্ট টোকায় দিওয়ারাকে বল বাড়ান বেইতিয়া। সেই পাসে কেটে যান এতক্ষণ দিওয়ারার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলা রিচার্ড কাসেগা। তারপর আর কে আটকায় দিওয়ারাকে? সেখান থেকে ডান পায়ের শটে আইজলের জালে বল জড়িয়ে দেন চলতি মরশুমের প্রথম আই লিগ ডার্বির নায়ক। এদিনের গোলে অবশ্য তাঁর ডার্বির নায়কের তকমা ঢাকা পড়ে গেল। বরং মোহনবাগান সমর্থকদের কাছে তিনি হয়ে উঠলেন লিগ জয়ের নায়ক।

https://www.facebook.com/ILeagueOfficial/posts/2610884512368019

২০১৫ এর পর ২০২০। পাঁচ বছর পর ফের ভারতসেরা মোহনবাগান। তবে এ বার তাদের দাপট আরও বেশি। কারণ চারটে ম্যাচ বাকি থাকতেই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল সবুজ মেরুন।এদিন ম্যাচ শেষ হতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে কল্যাণী স্টেডিয়াম। ছোট গ্যালারি হলেও এদিন বাগানকে চ্যাম্পিয়ন হতে দেখতে হাজার হাজার সমর্থক হাজির হয়েছিলেন কল্যাণীতে। সারাক্ষণ চেঁচিয়ে-চেঁচিয়ে দলকে উৎসাহ জুগিয়েছেন মেরিনার্সরা। ফুটবলাররাও হতাশ করেননি সমর্থকদের। সেটাই এদিন সাংবাদিক বৈঠকে উল্লেখ করেছেন বাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস ও অর্থ সচিব দেবাশিস দত্ত। দেবাশিসবাবু বলেছেন, ‘কল্যাণীর ছোট মাঠে ম্যাচ করার জন্য আমাদের সিদ্ধান্ত সঠিকই ছিল। ছোট মাঠে প্রচুর সমর্থক হবে। সেটাই টনিকের কাজ করেছে দলের জন্য।’