মুসলিমরা ভূতে নয়, জিনে বিশ্বাসী, জেনে নিন কতটা ভয়ংকর তেনারা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

The News Nest: মুসলিমরা ভুতে বিশ্বাসী নন। তাদের কাছে ভুতের গপ্পো বলে দেখবেন বেমালুম উড়িয়ে দেবে। মানুষ মরে ভুত হয়, একথা তারা অনেকেই মানতে চায় না। গাঁজাখুরি বলে উড়িয়ে দেয়। কিন্তু জিনের কথা বলে দেখবেন, কেউ অস্বীকার করবে না।

মুসলিদের ধর্মগ্রন্থ কুরআনেও এই জিনের কথা রয়েছে। মুসলিমরা বিশ্বাস করে এরা একটা আলাদা প্রজাতি। সৃষ্টিকর্তা যেমন এই বিশ্বের নানা প্রজাতি সৃষ্টি করেছেন, তেমনি জিনদের সৃষ্টি করেছেন। তবে ঠিক বাতাসের মত জিনদের খালি চোখে দেখা যায় না।

মানুষ যেমন আজও জানেনা জলের আকার কেমন। যে পাত্রে রাখা হয় জল সে পাত্রের আকার ধারণ করে। জিনরাও খানিকটা সেরকম। তারা নানা রূপ নিতে দক্ষ। তাদের আসল রূপ কোনটা তাই বলা মুশকিল।

জিনদের মানসিকতা অনেকটাই মানুষের মত। তারা খ্যাতি, প্রশংসা ইত্যাদি পছন্দ করে। তাদের রাগ, অভিমান, দুঃখ সবই আছে। সংসারে যেমন ভালো মানুষ ও খারাপ মানুষ থাকে জিনদের মধ্যেও তেমন ভালো জিন ও খারাপ জিন থাকে।খারাপ জিনকে বলা হয় খবিশ। এরা মানুষের ক্ষতি করে বলে জানা যায়।

আরও পড়ুন : করোনা মোকাবিলার ব্রহ্মাস্ত্র মিষ্টি! দেদার বিক্রি হচ্ছে ‘ইমিউনিটি সন্দেশ’

এরা বাচ্চাদের ভয় দেখায়। তারা ভয় পায় কিন্তু সে কথা কাউকে বোঝাতে পারে না। ছটফটে চঞ্চল শিশু হঠাৎ ভিতু হয়ে যায়। বাবা মা সেসব না বুঝে অকারণে তাকে বকাঝকা করে। বাচ্চা ঘ্যানঘ্যানে হয়ে যায়। গায়ে গায়ে জ্বর থাকে। কিন্তু ব্লাড টেস্টে কিছু আসে না।

এই খবিশরা ফলের গাছের ক্ষতি করে। হঠাৎ ফলসমেত তাজা গাছটি শুকিয়ে যেতে থাকে। হাজার চেষ্টা করেও এই গাছ বাঁচানো যায় না। বাড়িতে দুধেল গাইয়ের ওপর অনেক সময় এই বদ জিনদের দৃষ্টি পরে। গাই দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেয়। খেতে চায়না। এছাড়া যেখানে এই খবিশদের আড্ডা সেখানে গেলে একটা গা ছমছমে অনুভূতি হয়।

এরা অন্ধকার পছন্দ করে । তাই যেখানে এরা থাকে, সেখানে ঘন ঘন বৈদ্যুতিক আলো চলে যায়। নতুন বাতি এনে লাগলেও কিছুদিনের মধ্যে যেইকার সেই। এই আলো চলে যাবে তো পরক্ষনেই চলে আসবে। এরা বড় মানুষদেরও ভয় পাওয়ায়। খবিশরা সাধারণত ভালুক এবং শিম্পাঞ্জি গোছের একটা লুক নেয়। যেটা দেখতে খুবই খারাপ। যাদের দেখা দিয়েছে তাদের আত্মারাম খাঁচাছাড়া হবার জোগাড় হয়েছে।

বড় মানুষের মস্তিষ্কেও এরা বিরূপ মানসিকতা তৈরী করে। কাজে মন থাকে না। মনে ভালোলাগা থাকে না। একটা জ্বর জ্বর ভাব থাকে। ভালো জিন কিংবা মন্দ উভয়েই শান্ত ও নির্জন এলাকা পছন্দ করে। আলো তাদের তেমন একটা পছন্দ নয়। তবে ভালো জিন বহু সময়ে মানুষের নানা উপকারে আসে। এরা অন্যের ওপর ভর করে।

মুসলিমরা অনেকেই বিশ্বাস করে এরা প্রবল গতিশীল। আজকের যুগে যেকোনো দেশের খবর মুহূর্তে পাওয়া কোনও কঠিন ব্যাপার নয়। মোবাইল রয়েছে। কিন্তু এককালে ছিল। সেক্ষেত্রে যাদের ওপর জিন ভর করত তারা সহজেই দূর দেশের খবর দিতে পারত। মানুষের না জানা বহু বিষয়ে তারা মানুষকে সাহায্য করত। তবে জিনদের দুর্বলতাও রয়েছে। ওরা মানুষের মতই নিখুঁত ভবিষৎ বলতে পারে না। কিন্তু মানুষের মতই বিষয়টি নিয়ে বহু জিন নাটক করে। এরা যাকে ভর করে তাকে লোকে সম্মান করে। জিন সেই সম্মান নিজে এনজয় করে। একসময় তাকে ছেড়ে চলেও যায়। ততদিনে ওই মানুষটি বিষয়টিকে পেশা হিসাবে নিয়ে নেয়। তখন অনেকেই অভিনয় করে।

জিন চাইলে আপনার অনেক ক্ষতি করতে পারে। যেমন আঁধার রাতে নির্জন রাস্তায় আপনাকে ধাক্কা দিতে পারে। আপনার বাইকে চড়ে বসতে পারে। আপনি কেবল ভারি কিছু অনুভব করবেন। আপনাকে নানা রূপ ধরে ভয় দেখাতে পারে। আপনার পোষা কুকুটির ১২ টা বাজিয়ে দিতে পারে। জিনের নানা কাণ্ডকারখানা পরে একসময় বলা যাবে।

আরও পড়ুন : কালো সুতো পরছেন? স্টাইল করতে গিয়ে নিজের সর্বনাশ করছেন না তো?

Gmail 1
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest