রাজ্যসভায় বলতে উঠে নাটকীয় ভাবে তৃণমূল ছাড়লেন দীনেশ ত্রিবেদী, দল ভাঙার খেলায় ফের এগল বিজেপি!

গুজরাটের বাসিন্দা দীনেশ বৃহস্পতিবারই দীনেশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি টুইটকে ‘রিটুইট’ করেছিলেন।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নাটকীয় ভাবে তৃণমূল ছাড়লেন দীনেশ ত্রিবেদী। পাশাপাশি রাজ্যসভার সাংসদপদও ছেড়ে দিয়েছেন। কথা রাখছে মোদীর দল।নানা কায়দায় তৃণমূলী নেতাদের দলে ভেড়াচ্ছে বিজেপি। ফের হাই ভোল্টেজ ড্রামা দেখল গোটা দেশ। বস্তুত, রাজ্যসভাতেই তাঁর ওই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন দীনেশ।

দীনেশ বলেছেন, ‘‘আমার রাজ্যের সর্বত্র হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছে। অথচ আমরা কিছু বলতে পারছি না। আমি রবীন্দ্রনাথ, নেতাজির ভূমি থেকে আসা মানুষ। তাই এটা আমি আর দেখতে পারছি না। আমি একটি দলে আছি। তাই দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হচ্ছে। কিন্তু আমার দমবন্ধ হয়ে আসছে। এর চেয়ে ইস্তফা দিয়ে বাংলায় গিয়ে কাজ করা ভাল।’’ তাঁর আরও বক্তব্য, ‘‘আমি আমার অন্তরের ডাক শুনেছি। সকলকেই কখনও না কখনও অন্তরাত্মার ডাক শুনতে হয়।’’

আরও পড়ুন: কীভাবে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসা পাবেন ভেলোরে? জেনে নিন সবটা

পাশাপাশিই দীনেশ বলেছেন, ‘‘আমি তৃণমূল ছাড়ছি। তবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।’’ জল্পনা, অতঃপর বিজেপি-তে যোগ দিতে পারেন দীনেশ। একদা বিশ্বনাথপ্রতাপ সিংহের ঘনিষ্ঠ এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলে নিয়ে এসেছিলেন। তৃণমূলে থাকাকালীন তিনি দেশের রেলমন্ত্রী হন। কিন্তু রেলের ভাড়া বাড়ানোয় তাঁর উপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন মমতা। কারণ, রেল বাজেট পেশ করতে গিয়ে দীনেশ বলেছিলেন, ‘‘রেল আইসিইউ-য়ে চলে গিয়েছে।’’ ঘটনাচক্রে, দীনেশের অব্যবহিত আগে রেলমন্ত্রী ছিলেন মমতাই। দীনেশের ওই বক্তব্যের পর রাতারাতি তাঁকে রেলমন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

গুজরাটের বাসিন্দা দীনেশ বৃহস্পতিবারই দীনেশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি টুইটকে ‘রিটুইট’ করেছিলেন। যা থেকে তাঁর বিজেপি-তে যোগদানের সম্ভাবনা আরও জোরাল হচ্ছে।

দীনেশের ওই ঘোষণা শুনে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান দীনেশকে বলেন, ‘‘এ ভাবে ইস্তফা দেওয়া যায় না। এর একটি পদ্ধতি আছে। আপনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত ভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিন।’’ আশা করা যায়, এর পর দীনেশ আইন মোতাবেক লিখিত ভাবে তাঁর ইস্তফা রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে জমা দেবেন।

 

এবার অর্জুন কি দীনেশকে গল্ দিতে পারবেন ? সমীক ভট্টাচার্যকে মা-বাপ তুলে যে খিস্তি আরজিন দিয়েছিলেন তা এখনও ইউটিউবে ঘুরছে। মুকুলকে নিয়ে দিলীপ ঘোষ যে সব মন্তব্য করছেন তাও যে কেউ চাইলে ইউ টিউব থেকে দেখতে পারেন।মমতার টিম যেভাবে বিজেপি দাপাচ্ছে তাতে সমীক ভট্টাচার্যরা কোনঠাসা। সত্যিই আদি বিজেপি নেতাদের জন্য করুণা হওয়া উচিত।মমতার বানানো এই নেতাদের কন্ট্রোল করার ক্ষমতা দিলীপ বাহিনী তো দূরের কথা মোদী বাহিনীরও নেই।গুড়ে যেভাবে মাছি বসে থাকে, এরা তেমনি ক্ষমতার লোভে বিজেপির সঙ্গে ভিড়ছে। তবে ইভিএম তার খেল না দেখালে মোদীর দলের পক্ষেও এই খেলা সহজ হবে না। বাংলার মানুষ তাদের ভালো চোখে দেখছে না।

আরও পড়ুন: ওয়াসিম জাফরকে সাম্প্রদায়িক বানানোর ঘৃণ্য ছক উত্তরাখন্ড ক্রিকেট বোর্ডের! পাশে দাঁড়ালেন কুম্বলে,মনোজ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest