আজ ফোকাস-এ

বিশ্ববাজারে সস্তা তেল, দেশে ৮০ পেরিয়ে গেল ডিজেল, পেট্রল ৮৮-র দিকে

বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেল সস্তা থাকার সময় সরকার উৎপাদন শুল্ক বাড়িয়ে রাজকোষ ভরেছে কেন?
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

কৃষকদের আন্দোলনে দেশ যখন উত্তাল, তখন আমজনতার দুর্ভোগের পারদ আরও চড়িয়ে বহাল তেলের দরের লাগামহীন দৌড়। আজ কলকাতায় লিটার পিছু ৮০ টাকা পেরিয়ে গেল ডিজেল। পেট্রল পৌঁছে গেল ৮৮ টাকার কাছে। অথচ কেন্দ্রীয় শাসক দল বিজেপি এখনও উন্নয়নের গপ্পো শোনাচ্ছে।

দু’তিন দিন করে স্থির রেখে ফের টানা কয়েক দিন একলাফে অনেকখানি দাম বাড়িয়ে দেওয়ার কৌশল যেন স্পষ্ট জ্বালানির দামে। আর সেই ছক মিলিয়েই আজ কলকাতায় আইওসির পাম্পে পেট্রলের দাম বাড়ল লিটার প্রতি ২৪ পয়সা। ডিজেল ২৫ পয়সা। ফলে পেট্রল কিনতে ক্রেতাকে খরচ করতে হবে লিটারে ৮৭.৬৯ টাকা এবং ডিজেল কিনলে ৮০.০৮ টাকা।

তেলের দামে রাশ টানতে নাগাড়ে কেন্দ্রের কাছে উৎপাদন শুল্ক কমানোর দাবি করা হলেও, এখনও তাতে কান দেয়নি তারা। বরং সরকারের নেতা-মন্ত্রীদের দাবি, বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দর এতটাই চড়া যে দাম বাড়ানো ছাড়া পথ নেই রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির সামনে।

আরও পড়ুন: ‘বিজেপিপন্থী’ অভিনেতার উসকানিতেই লালকেল্লায় তাণ্ডব! ষড়যন্ত্রের স্পষ্ট অভিযোগ কৃষকদের

সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, তা হলে বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেল সস্তা থাকার সময় সরকার উৎপাদন শুল্ক বাড়িয়ে রাজকোষ ভরেছে কেন? আর এখন সেই শুল্ক কমিয়ে কেন আমজনতার পাশে দাঁড়াচ্ছে না? কারণ, ইতিমধ্যেই ট্যাক্সিতে উঠলে বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। তেলের দাম নিয়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে সরব ট্রাক-লরির মালিকেরা।

সকলেরই আশঙ্কা, এর ফলে যাতায়াতের খরচ তো বাড়ছেই। পণ্য পরিবহণের খরচ বাড়ায় জিনিসপত্রের দামও চড়তে পারে। যা মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়াবে। চড়া মূল্যবৃদ্ধি অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর রাস্তাও বন্ধ করতে পারে। মঙ্গলবার দিল্লি ও মুম্বইতে লিটার পিছু পেট্রলের দর ছিল যথাক্রমে ৮৬.০৫ ও ৯২.৬২ টাকা। ডিজেল ছিল যথাক্রমে ৭৬.২৩ ও ৮৩.০৩ টাকা।

মনমোহন সরকারের আমলে এমন ঘটনায় সরকারের ইস্তফা দাবি করত বিজেপি, অথচ এখন তারা এটাকে গুরুত্ব দিতেই রাজি নয়। তাদের যত উত্তেজনা, হয় হিন্দু-মুসলিম বিভাজন রাজনীতি কিংবা জয় শ্রী রাম হুঙ্কার নিয়ে। বিজেপি ছাড়া বাকি ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলিকে মুসলিম তোষণকারী বলে দেগে দেওয়া তাদের অন্নতম কর্তব্য । এই কয়েকটি কাজ তারা যত্নের সঙ্গে করে চলেছে। এর মাধ্যমে তাদের ভোট ব্যাঙ্কের উন্নয়ন হলেও, দেশের উন্নয়ন অসম্ভব।

আরও পড়ুন: কী কী কারণে সাধারণত শারীরিক সম্পর্ককে ভয় পান মেয়েরা?

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest