আব্বাস সিদ্দিকী আমন্ত্রণ পেলেন না আসাদউদ্দিনের সভায়

এআইএমআইএম-এর দাবি, ওই জনসভায় অন্য দলের কাউকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে না।

অল ইন্ডিয়া মজলিশ এ ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি কলকাতায় জনসভা করবেন। তবে সেই সভায় আমন্ত্রণ জানানো হল না ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকিকে। এআইএমআইএম-কে জোটের প্রতিশ্রুতি দিয়েও বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে আসন রফা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেই কি ওয়াইসির জনসভায় আব্বাসকে আমন্ত্রণ জানানো হল না, উঠছে প্রশ্ন। এআইএমআইএম-এর যদিও দাবি, ওই জনসভায় অন্য দলের কাউকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে না।

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় বাম-কংগ্রেসের বিগ্রেড সমাবেশ। তার ঠিক এক সপ্তাহ পরেই ৭ মার্চ বিজেপি-র ব্রিগেড সমাবেশে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তার আগেই ২৫ ফেব্রুয়ারি কলকাতার মেটিয়াব্রুজ বিধানসভার কারবালা পিঙ্ক স্কোয়ারে জনসভা করতে আসছেন মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। কিন্তু সেই জনসভায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএফএস)-কে। ২৫ তারিখ দুপুরে কলকাতায় পা রেখেই মেটিয়াবুরুজের সভায় যোগ দিতে যাবেন ওয়াইসি। তিনি যে রাজ্যে সংখ্যালঘু ভোটকেই লক্ষ্য করবেন, তা পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণার পরেই তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল।

আরও পড়ুন: দেশে এবার বিশ্বের সবচেয়ে বড় চিড়িয়াখানা বানাচ্ছে আম্বানি

প্রথম জনসভার করার ক্ষেত্রেও তিনি বেছে নিয়েছেন কলকাতা শহরের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাকেই। তবে প্রথম রণকৌশল হিসেবে এআইএমআইএম আব্বাসকেই সঙ্গী করতে চেয়েছিল। সেই মতো গত ৩ জানুয়ারি ফুরফরা শরিফে এসে আব্বাসের ওপর তাঁর আস্থাজ্ঞাপন করে জোটের কথা ঘোষণা করে গিয়েছিলেন ওয়াইসি। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আইএসএফ জোটের আলোচনা চালাচ্ছে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে।

আব্বাসের দলের এ হেন আচরণ ভাল চোখে দেখেননি বাংলার এআইএমআইএম নেতৃত্ব। তাই তাঁরা একক ভাবেই পথ চলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। আইএফএস-কে আমন্ত্রণ না জানানোর বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা জামিরুল হাসান। তাঁর কথায়, ‘‘ওয়াইসি এই প্রথম বাংলায় কোনও জনসভা করতে আসছেন। এখানে আমরা আমাদের শক্তি দেখিয়ে জনসভা সফল করার লক্ষ্য রেখেছি। সভায় অন্য রাজনৈতিক দলের কাউকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। আব্বাস বা ওদের দলের কাউকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে কখনও কোনও আলোচনাই হয়নি।’’

আরও পড়ুন: ‘তৃণমূলের উপ মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দিকি, জোটের মুখ্যমন্ত্রী মান্নান’, আষাঢ়ে টুইট করে হিন্দুদের রাগানোর চেষ্টা বর্গীয়র