৩৭০ ধারা রদ: সমর্থন না বিরোধিতা? অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন রাহুল গান্ধী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#নয়াদিল্লি: সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ নিয়ে ভিন্নমত দেখা দিল কংগ্রেসের অন্দরেই। মত-ভিন্নমতে কার্যত দু’ভাগ হয়ে গেল দেশের প্রধান বিরোধী দল। সামগ্রিক ভাবে রাজ্যসভা এবং লোকসভায় এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা হলেও, অনেক কংগ্রেস নেতাই জানিয়ে দিলেন, কেন্দ্র এক্কেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ নিয়ে দলের অবস্থান কী হবে, সেটা নিয়ে অনেকেই তাকিয়েছিলেন দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর দিকে। কিন্তু এই ব্যাপারে কোনো টুইটই করেননি রাহুল। সে কারণে দলের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায়।

সূত্রের খবর, সোমবার রাষ্ট্রপতির নির্দেশনামা রাজ্যসভায় পেশ হওয়ার পর সাময়িক একটি বৈঠক করে কংগ্রেস। তার পর সিদ্ধান্ত হয়, এই নির্দেশনামার বিরোধিতা করা হবে। বিরোধিতার মূল কারণ, যে ভাবে আগাম কোনো ইঙ্গিত না দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে দেখা গেল, এক দিকে রাজ্যসভায় গুলাম নবি আজাদ এবং কপিল সিব্বল এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হলেন। ‘গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে’ বলে অভিহিত করলেন। অন্য দিকে লোকসভায় সনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস সাংসদরা ওয়াকআউট করেন।

সংসদে এই সরকারি পদক্ষেপের বিরোধিতা কী ভাবে করা হবে, তা নিয়ে মঙ্গলবার সকালেই সনিয়া ও রাহুলের সঙ্গে এক দফা বৈঠক হয় কংগ্রেস সাংসদদের। তার কিছু ক্ষণের মধ্যেই টুইটে মোদী সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেন রাহুল। টুইটে তিনি লেখেন, ‘‘সংবিধানকে লঙ্ঘন করে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জেলে পুরে ও জম্মু-কাশ্মীরকে দ্বিখণ্ডিত করে জাতীয় সংহতিকে শক্তিশালী করা যায় না। শুধুই কিছু জমির খণ্ড দেশটাকে গড়ে তোলেনি, দেশটাকে গড়ে তুলেছেন দেশের নাগরিকরাই। প্রশাসনিক ক্ষমতার এই অপব্যবহার দেশের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক।’’

রাজ্যসভায় গত কাল অমিতের ঘোষণার সময় কংগ্রেস সদস্যদের একটি অংশকে যখন ‘গণতন্ত্রের হত্যা’ বলে সমালোচনায় সরব হতে দেখা যায়, তখনই সংসদের বাইরে জনার্দন দ্বিবেদী, দীপেন্দ্র হুডার মতো প্রবীণ কংগ্রেস নেতারা সমর্থন করেন কেন্দ্রীয় পদক্ষেপকে।

ওই রকম পরিস্থিতিতে তিনি দলের কোনও জরুরি বৈঠক ডাকবেন কি না, তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের মুখে পড়েন রাহুল। তখনই রাহুল জানিয়ে দেন, ‘‘না, আমি কোনও বৈঠক ডাকতে পারি না। কারণ, আমি আর দলের সভাপতি নই।’’

এ দিন সকালে সনিয়াই প্রথম দলের সাংসদদের কাছে জানতে চান, ‘‘আপনারাই ঠিক করুন, কোন অবস্থান নেবেন। সমর্থন না কি বিরোধিতা?’’ পরে বলেন, ‘‘আমরা ঠিক করেছি, বিরোধিতা করব। যেহেতু এই পদক্ষেপের আগে জম্মু-কাশ্মীরের মানুষ ও সেখানকার বিধানসভার সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা করো হয়নি।’’

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest