১৫-১৬ মার্চ দেশ জুড়ে ধর্মঘট, টানা ৪ দিন বন্ধ ব্যাঙ্ক, ভোগান্তির আশঙ্কা

এবারের বাজেটে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বিলগ্নিকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

ফের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক। আগামী ১৫ এবং ১৬ মার্চ দেশ জুড়ে ওই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নীতি এবং ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণের প্রতিবাদেই এই ধর্মঘট। ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন ওই ধর্মঘট ডেকেছে। এর ফলে ভোগান্তির আশঙ্কায় গ্রাহকেরা। মাসের দ্বিতীয় শনিবার হওয়ায় ১৩ মার্চ এমনিতেই বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক। রবিবার ১৪ মার্চ ব্যাঙ্ক বন্ধ। এর পর ১৫ মার্চ সোম এবং ১৬ মার্চ মঙ্গলবার ধর্মঘট। ফলে টানা চার দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকার কারণে গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

বাজেটে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বিলগ্নিকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেই প্রস্তাবের বিরোধিতায় আগামী ১৫ মার্চ থেকে দেশজুড়ে দু’দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিল ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস (ইউএফবিইউ)। যে সংগঠনের অধীনে ন’টি ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন আছে।

আরও পড়ুন: উত্তরাখণ্ডের ভয়াবহ হিমধস, ভাঙল বাঁধ, নিখোঁজ বেড়ে শতাধিক

অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের (এআইবিইএ) সি এইচ বেঙ্কটচলম জানান, মঙ্গলবার আলোচনায় বসেছিল ইউএফবিইউ। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বিলগ্নিকরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের সেই সিদ্ধান্তের ফলে দেশকে পিছনের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আইডিবিআই ব্যাঙ্ক এবং দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বিলগ্নিকরণ, অনাদায়ী ব্যাঙ্ক তৈরি, এলআইসির বিলগ্নিকরণ, একটি সাধারণ বিমা সংস্থার বেসরকারিকরণ, বিমাক্ষেত্রে ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের ছাড় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বিক্রি ও আগ্রাসী বিলগ্নিকরণের মতো বাজেটে যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপের ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, সেগুলি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।’

অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন (এআইবিইএ)-এর সভাপতি রাজেন নাগার বলেন, “যে ভাবে ব্যাঙ্কগুলিকে বেসরকারিকরণের চেষ্টা হচ্ছে, তার প্রতিবাদে এই ধর্মঘট। আন্দোলন আরও জোরালো হতে পারে।” টানা চার দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকার কারণে, এটিএম-এ টাকার জোগান নাও থাকতে পারে আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন: সপ্তাহে মাত্র ৪ দিন কাজ, ৩ দিন ছুটি! শীঘ্রই নয়া শ্রমবিধি আনতে চলেছে কেন্দ্র