বিজেপি সাংসদের ছেলের ডাকে থাইল্যান্ড থেকে আসা যৌনকর্মীর মৃত্যু করোনায়, তরজা তুঙ্গে

রাজস্থানের কোনো এক ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে ওই কলগার্ল- এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সেই ব্যবসায়ীর ছেলে। এরপরই সেই কলগার্লকে লখনৌতে পাঠানো হয়।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ভারতে এসে ৪১ বছর বয়সী তাইল্যান্ডের যৌনকর্মীর মৃত্যুতে উত্তাল অবস্থা লখনউয়ে। একদিনে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ওই মহিলার ভারতে আসার কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে,অন্যদিকে ওই মহিলার সঙ্গে নাম জড়িয়েছে বিজেপি সংসদের ছেলের।

করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরে ওই মহিলা লখনউয়ের রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বলে খবর। তিনি কবে উত্তরপ্রদেশে এসেছিলেন তার নির্দিষ্ট দিন জানা না গেলেও বিরোধীদের একাংশের দাবি ২৮ এপ্রিল তাইল্যান্ড থেকে আসেন তিনি।করোনা সংক্রমণের মধ্যে ওই মহিলা কী ভাবে এলেন তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বিরোধীদের অভিযোগ, ৭ লক্ষ টাকা খরচ করে ওই মহিলাকে নিয়ে এসেছিলেন বিজেপি-র এক সাংসদের ছেলে।

এই প্রসঙ্গে সমাজবাদী পার্টির নেতা আইপি সিং অভিযোগ করেছেন, ‘‘বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় শেঠের ছেলে নিয়ে এসেছিলেন ওই যৌনকর্মীকে। শুধু তাই নয়, এই সময়ের মধ্যে একাধিক নেতা ও প্রশাসনের অনেক আধিকারিকের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন ওই মহিলা। তাঁর মৃত্যুর পরে সেই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি।’’ মহিলার দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আনা ও এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন ওই সপা নেতা।

আরও পড়ুন: মাফিয়া ডন ছোটা রাজনের মৃত্যুর খবর নিয়ে দিনভর চাপান- উতোর

অন্য দিকে এই ঘটনায় যাঁর ছেলের বিরুদ্ধে আঙুল উঠছে সেই বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় আবার সব অভিযোগ উড়িয়েছেন। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, ‘‘আমার ও আমার পরিবারের বদনামের জন্য এই মিথ্যা খবর রটানো হচ্ছে। এর সঙ্গে আমার পরিবারের কেউ যুক্ত নয়। এই ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি আমি। পুলিশ আমাকে জানিয়েছে, তদন্ত করে শীঘ্রই আসল সত্যি সামনে আনা হবে।’’

পুলিশ চেয়েছিল, থাইল্যান্ডে পরিবারের লোকজনের হাতে ওই কলগার্লের দেহ তুলে দিতে। কিন্তু তা আর হয়নি। শেষ পর্যন্ত যে এজেন্টের মাধ্যমে ভারতে এসেছিল তার উপস্থিতিতেই মৃতদেহ সৎকার করা হয়। ওই কলগার্ল- এর মৃত্যুর পরই পুলিশ লখনৌ ও সংলগ্ন এলাকায় ইন্টারন্যাশনাল সেক্স রাকেট- এর ব্যাপারে খোঁজখবর শুরু করেছে। গত কয়েকদিনে ওই কলগার্লের সংস্পর্শে আর কারা এসেছিল সেই ব্যাপারেও খোঁজখবর নিতে শুরু করেছে পুলিশ।

এদিকে তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে,  সেই কলগার্ল ভারতে আসার পর অসুস্থ হয়ে পড়ায় ওই সাংসদের ছেলে নিজেই থাইল্যান্ড দূতাবাসে ফোন করে খবর দিয়েছিল। এরপরই থাইল্যান্ড দূতাবাস ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক-এর সাহায্যে ওই কল গার্লকে হাসপাতালে ভর্তি করার ব্যবস্থা করে।

আরও পড়ুন: আবারও বাড়ল পেট্রল ও ডিজেলের দাম, কলকাতা-সহ ৪ মহানগরে কত টাকা পড়ছে জানুন…

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest