বাড়তে পারে লকডাউন! চতুর্থ দফার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নয়াদিল্লি: আরও কিছু ছাড় দিয়ে ১৭ মে-র পরে আর এক দফা লকডাউন বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন নরেন্দ্র মোদী। তবে মুখ্যমন্ত্রীদের কার্যত সম্মিলিত চাপের মুখে চতুর্থ দফার লকডাউনে কোন রাজ্য, কোথায়, কতখানি ছাড় চায়, তা আজ মুখ্যমন্ত্রীদেরই জানাতে বলেছেন তিনি। ১৫ মে-র মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীদের লিখিত মত জানাতে হবে।

করোনার জেরে দেশে তিন দফায় লকডাউন হয়েছে। ২৫ মার্চ থেকে শুরু করে আগামী ১৭ মে অবধি চলবে লকডাউন। মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা তোলার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে দেশে করোনার চলনের বিষয় একটা সম্যক ধারণা হয়ে গিয়েছে। জেলাস্তরেও কীভাবে ধাপে ধাপে লকডাউন তোলা যায়, তা বোঝা যাচ্ছে। কোভিড সংক্রান্ত তথ্য এর বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মোদী বলেন, এখন দুটি কাজ। একটি হল সংক্রমণের হার কমানো। অন্যটি হল ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি করা।অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য রাজ্যদের প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করা হচ্ছে বলে জানান মোদী। 

আরও পড়ুন: অক্ষয় কুমারের আসল নাম কী! সাধারণ জ্ঞানের বইয়ের প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক

সবচেয়ে ইঙ্গিতবাহী হল প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য, যেটি পিএমও প্রকাশ করেছে। সেখানে তিনি বলছেন আমার এটা বিশ্বাস যে প্রথম লকডাউনে যে পদক্ষেপ নিতে হয়েছিল তা দ্বিতীয়তে লাগেনি, একইভাবে তৃতীয় লকডাউনে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা চতুর্থ দফায় লাগবে না। অর্থাৎ আরও কিছু ছাড় দিয়ে ১৭ মে-র পরে আর এক দফা লকডাউন বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন যে এটা বুঝতে হবে যে করোনা পরবর্তী বিশ্বে জীবনযাপন এক থাকবে না। সেই অনুসারে বদলাতে হবে জীবনশৈলী। তিনি বলেন জন সে লেকার জগ তক- অর্থাত্ মানব থেকে মানবতা অবধি খেয়াল রাখাই হবে নতুন ভাবে বাঁচার শর্ত। এখনও পর্যন্ত যে কোনও প্রতিষেধক বেরোয়নি করোনার বিরুদ্ধে সেটি মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন অর্থনীতি খুললেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা খুব প্রয়োজনীয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে নিজের দু গজ কি দূরি স্লোগানের কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি। রাজ্যদের কাছে শুক্রবারের মধ্যে পরামর্শও চান তিনি লকডাউন পরবর্তী রণনীতি নিয়ে। 

প্রায় সব মুখ্যমন্ত্রীই রাজ্যের জন্য আর্থিক সাহায্য, ছোট-মাঝারি শিল্প থেকে শুরু করে পরিকাঠামো প্রকল্পের জন্য সুরাহা, সুদের হার কমানো, কৃষিপণ্যের বাজারের ব্যবস্থা করার দাবি তুলেছেন। রাজ্যগুলির ক্ষতে মলম দিতেই আজ অর্থ মন্ত্রক রাজস্ব ঘাটতি অনুদান হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১৪টি রাজ্যের জন্য ৬,১৯৫ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে।

আরও পড়ুন: লকডাউন উঠলেই পিকে-চুনী স্মরণে হবে প্রদর্শনী ম্যাচ!

Gmail 1
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest