লাদাখে ‘চীনা আগ্রাসন’-এর সব তথ্য ওয়েবসাইট থেকেমুছে দিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

লাদাখে চীন যা করেছে তাঁর নথি সরিয়ে দিল ভারত। বেড়াল না থাকলে তা আর ঝুলি থেকে বের হবার সম্ভবনা নেই! লাদাখে চিনের ‘একতরফা আগ্রাসন’-এর উল্লেখ রয়েছে এমন মাসিক প্রতিবেদন ওয়েবসাইট থেকে আগেই সরিয়ে দিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এ বার হাত পড়ল ২০১৭ সাল থেকে চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত প্রকাশিত হওয়া সমস্ত মাসিক প্রতিবেদনেও। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে ২০১৭ সালে ডোকলাম সংক্রান্ত প্রতিবেদনও। এ তথ্য জানাচ্ছে সর্বভারতীয় সংবাদপত্র ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখেছে কেন ওই প্রতিবেদন সরানো হয়েছিল, তা জানতে চাওয়া হলেও, তার উত্তর মেলেনি। তবে সূত্রের খবর, সরিয়ে ফেলা প্রতিবেদনগুলি ‘তাড়াতাড়ি’ই ওয়েবসাইটে নিয়ে আসা হবে। সূত্রের মতে, অক্টোবরেই সেগুলি পুনরায় প্রকাশিত হতে পারে।

আরও পড়ুন : পয়সা দিয়ে TRP কিনেছে রিপাবলিক টিভি জেনে নিন কী বলল মুম্বই পুলিশ

ওয়েবসাইটিতে কিছু অভ্যন্তরীণ অদলবদল করা হচ্ছে। এমন ইঙ্গিত মিলেছে সূত্রে। তার জেরেই আপাতত ওই প্রতিবেদনগুলি সরানো হয়েছে। সূত্রের মতে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের থেকে সবুজ সঙ্কেত পেলে তবেই প্রতিটি রিপোর্ট প্রকাশিত হবে— এমনটাই দস্তুর।

লাদাখ নিয়ে রিপোর্টে কী বলা হয়েছিল? তার কিছুটা অংশও তুলে ধরেছে ওই সংবাদপত্রটি। তাতে লেখা হয়েছিল, ‘‘২০২০ সালের ৫ মে থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর, আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে গালওয়ান উপত্যকায় চিনা আগ্রাসন বাড়ছে।’’ আরও বলা হয়, ‘‘২০২০ সালের ১৭ থেকে ১৮ মে-র মধ্যে চিনা সেনা কুগরাং নালা, গোগরা এবং প্যাংগং হ্রদের উত্তর তীর অতিক্রম করেছে।’’ ওই রিপোর্টে গত ১৫ জুন গলওয়ান উপত্যকায় ভারত এবং চিনের বাহিনীর মধ্যে হাতাহাতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন : টুইটার ট্রেন্ডিং তালিকার শীর্ষে ‘বাবা কা ধাবা’! কেন ভিড় উপচে পড়ল এই বৃদ্ধ দম্পতির দোকানে?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest