‘খেলনা নিয়ে নয়, পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা চাই’, মোদীর ‘মন কি বাত’ কে বিঁধলেন রাহুল

NEET, JEE এবং কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা। জাতীয় রাজনীতি এখন এই নিয়েই উত্তাল। করোনা আবহে এত বড় পরীক্ষা নেওয়া মানে পরীক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে বিরোধী শিবির রীতিমতো সরকার পক্ষকে কাঠগড়ায় তুলছে। কিন্তু এসবের মধ্যে প্রবেশিকা বা কলেজের পরীক্ষা নিয়ে রবিবারের ‘মন কি বাতে’ একটি শব্দও খরচ করেননি প্রধানমন্ত্রী। আর তা নিয়েই এবার রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) কটাক্ষের মুখে পড়তে হল মোদীকে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সরাসরি আক্রমণ করে রাহুল বলেছেন, করোনা আবহে NEET ও JEE নিয়ে প্রবল সংকটের মুখে পড়ে ছাত্রছাত্রীরা চেয়েছিলেন, মোদী ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ করুন। কিন্তু তিনি করলেন ‘খিলোনে পে চর্চা’। প্রধানমন্ত্রী মোদীর মন কী বাত অনুষ্ঠানের অনতিবিলম্বেই ট্যুইট করেন রাহুল গান্ধী। তিনি লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করুন, এটাই চেয়েছিলেন নিট ও জয়েন্টের পরীক্ষার্থীরা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী খেলনা নিয়ে কথা বললেন।’ #Mann_Ki_Nahi_Students_Ki_Baat – এই হ্যাশট্যাগটাও লিখেছেন রাগা।

আরও পড়ুন: দেশে খেলনা উৎপাদন বাড়াতে চান মোদী, শিশুদের নিয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাবনার উল্লেখ করলেন মন কি বাতে

করোনাভাইরাস সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের মধ্যেও ১ সেপ্টেম্বর ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (নিট) এবং জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজাম (জি)পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা হয়েছে ছাত্র থেকে শিক্ষক-শিক্ষাবিদ নানা মহলে। রাজনৈতিক ভাবে প্রতিবাদের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলি। এর মধ্যেই রবিবার মাসিক ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ব্ক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তাঁর সেই বক্তব্যে পড়ুয়াদের এই উদ্বেগের বিষয়টি এক বারও উল্লেখ করেননি। কিন্তু বিশ্বের খেলনার বাজারে ভারতীয়দের আরও বেশি অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

নিট-জি নিয়ে শুক্রবারও কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। টুইটারে ভিডিয়ো বার্তায় তিনি বলেছিলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সরকারের ব্যর্থতার জন্য নিট-জি পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে দেওয়া ঠিক নয়। ছাত্রদের দেশের ভবিষ্যৎ বলে আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, তাঁদের আর অতিরিক্ত দুর্দশার মধ্যে ফেলবেন না।

আরও পড়ুন: একমাত্র ছেলের মৃত্যু পথ দুর্ঘটনায়,৩২ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে ট্রাফিক সামলাচ্ছেন এই বৃদ্ধ