‘শুরু হল কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়া’, চাপানউতোরের মধ্যেই টুইট অনুপম খেরের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নিউজ কর্নার ওয়েব ডেস্ক: উত্তেজনায় প্রহর গুণছে কাশ্মীর। রাজ্যের অধিকাংশ জায়গায় জারি ১৪৪ ধারা, বন্ধ মোবাইল-ইন্টারনেট পরিষেবা, গৃহবন্দি রাজ্যের অধিকাংশ নেতা। মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারই মাঝেই ফের বোমা ফাটালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত, অভিনেতা অনুপম খের। টুইট করে তিনি বললেন, ‘‘কাশ্মীর নিয়ে সমাধান শুরু হয়ে গিয়েছে।’’ তবে সমাধান সূত্রটা কী, তার ইঙ্গিত দেননি অভিনেতা। উপত্যকার বর্তমান পরিস্থিতিতে মোদী-ঘনিষ্ঠ অনুপমের টুইট নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে নানা মহলে।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন নীতির সমর্থনে আগেও বার বার সরব হয়েছেন অনুপম। কাশ্মীর নিয়ে যখন একটা চাপা আবহ তৈরি হচ্ছে, সেই সময়ও চুপ থাকলেন না তিনি। এর আগে অনুপম বলেছিলেন, সারা দেশের সমর্থন রয়েছে মোদীর সরকারের সঙ্গে। অল্প সংখ্যক নয়, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি এসেছে এ বার। বিরোধীদের উচিত চুপ থেকে সরকারকে কাজ করতে দেওয়া। শুধু তাই নয়, তিনি এটাও বলেছিলেন, কাশ্মীর সমস্যার সমাধান মিলবে তখনই, যখন ৩৭০ ধারাকে সে রাজ্য থেকে তুলে নেওয়া হবে। তাঁর এ দিনের টুইটও সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে বলেই ধারণা কূটনৈতিক মহলের।

প্রসঙ্গত, গত ৬ দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবিধানিক ভাবে বিশেষ মর্যাদা পাচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীর। সংবিধানের ৩৫ এ ধারা ৩৭০ ধারা মোতাবেক সেখানকার ভূমিপুত্র ছাড়া ভারতের আর কোনও নাগরিকের সেখানে স্থায়ী নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার নেই। ৩৭০ ধারা অনুযায়ী জম্মু কাশ্মীরের নাগরিকরা আরও কিছু বিশেষ সুবিধা পান।

কিন্তু এই দুই ধারা বিলোপের ব্যাপারে বহুদিন ধরে সওয়াল করছে বিজেপি তথা সঙ্ঘ পরিবার। বিজেপি-র নির্বাচনী ইস্তেহারে বারবার এসেছে এই দুই ধারা বিলোপের প্রসঙ্গ। কিন্তু সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এখন, কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলি মনে করছে এ বার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালনে পদক্ষেপ করতে পারেন মোদী-শাহ।

প্রথমে অতিরিক্ত ১০ হাজার আধাসেনা মোতায়েন, পরে নির্দেশিকা জারি করে পর্যটকদের কাশ্মীর থেকে ফেরত পাঠানো, হালে স্কুল-কলেজ-ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া, সব মিলিয়ে উপত্যকায় একটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest