এবার ‘টার্গেট’ আগ্রা জামে মসজিদ! কৃষ্ণমূর্তি খুঁজতে পিটিশন আদালতে

প্রথমে টার্গেট করা হয়েছিল বাবরি মসজিদ।কিছু দিন আগে টার্গেট করা হয়েছে জ্ঞানবাপী বা আলমগিরি মসজিদ।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

প্রথমে টার্গেট করা হয়েছিল বাবরি মসজিদ। বহুবছর পর সেই পরিকল্পনা সাফল্য লাভ করেছে। আজ বাবরি মসজিদের জায়গায় নির্মিত হচ্ছে রাম মন্দির। কিছু দিন আগে টার্গেট করা হয়েছে জ্ঞানবাপী বা আলমগিরি মসজিদ। এবার টার্গেট আগ্রা জামে মসজিদ বা জাহানারা মসজিদ।

কাশী বিশ্বনাথ মন্দির-জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্কে গত সপ্তাহে ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে (এএসআই) সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে বারাণসীর আদালত। তারই মধ্যে এবার শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান ইস্যুতে নতুন একটি জনস্বার্থ মামলা পেশ হল মথুরার আদালতে। সেখানে দাবি করা হল, মথুরার ঠাকুর কাটরা কেশবদেব মন্দিরের মূর্তি পোঁতা রয়েছে আগ্রার জাহানারা মসজিদের (জামা মসজিদ) নীচে। মসজিদের সিঁড়ির নীচে থাকা কৃষ্ণমূর্তি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এএসআইকে রেডিওলজি পরীক্ষার নির্দেশ দিক আদালত।

সরকারি সূত্রে খবর, মোট পাঁচজন আবেদনকারীর হয়ে মথুরার আদালতে জনস্বার্থ মামলাটি পেশ করেছেন আইনজীবী শৈলেন্দ্র সিং। যিনি হিন্দু দেবতা কৃষ্ণের বংশধর দাবি করা মনীশ যাদব নামের এক ব্যক্তি এবং দেবতা ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমানের পক্ষে মথুরায় কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দিরের নিকটবর্তী শাহী ঈদগাহ সরানোর দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ভোটের মধ্যে দায়িত্ব ছাড়লেন অরোরা, নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র

দাবির সপক্ষে মোগল সম্রাট ঔরঙ্গজেব সম্পর্কে বিভিন্ন উপাখ্যান ও যদুনাথ সরকার রচিত ঐতিহাসিক প্রবন্ধের উল্লেখ করা হয়েছে। কলকাতার হ্যারিসন রোডের এম সি সরকার অ্যান্ড সন্স থেকে প্রকাশিত প্রবন্ধের ১১ ও ১২ পৃষ্ঠার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ৩৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মথুরার সবচেয়ে বড় তীর্থক্ষেত্র কেশব রাইয়ের মন্দির নির্মাণ করেছিলেন বুন্দেলা রাজা ব্রিজসিং দেব। ১৬৭০ সালের জানুয়ারিতে সেই মন্দির ধ্বংস করে সেখানে একটি মসজিদ তৈরি করা হয়। সেই সময় সেখান থেকে কৃষ্ণের মূর্তি নিয়ে যাওয়া হয় আগ্রাতে। এরপর আগ্রার জাহানারা মসজিদের সিঁড়ির নীচে সেই মূর্তি পুঁতে দেওয়া হয়েছিল।

পাঁচ রাজ্যে ভোট চলছে। বাংলায় সবথেকে হেভিওয়েট। এখানে বিজেপি প্রমাণের চেষ্টা করছে মমতা ‘মুসলিম তোষক’। সেটা ছাড়া বিজেপির হাতে তেমন কোনও ইস্যু নেই। যে দলিতদের গোবলয়ে নানা তুচ্ছ কারণে পিটিয়ে মারা হয়,বাংলায় তাদের ভোট পেতে মরিয়া মোদীর দল। তাদের মনে ‘বিদ্বেষ-করোনা’ ইতিমধ্যেই সংক্রামিত হয়েছে বলে বিজেপির একটা অংশ আত্মবিশ্বাসী। এমন পরিস্থিতিতে এই মসজিদ-মন্দির ইস্যুও তাদের ভোট লড়াইকে সহজ করতে পারে বলে রাজনৈতিক অনুমান।

বাবরি মন্দির ভাঙার সময় গেরুয়া বর্বর ধর্মান্ধরা স্লোগান দিত ‘অযোধ্যা তো স্রিফ ঝাঁকি হয়, কাশি মথুরা বাকি হয়।’ এবার সেই কাশী বিশ্বনাথ-নিয়ে ছকবাজি শুরু হল। নেপথ্যে কারা, প্রশ্ন করার প্রয়োজন নেই। বাবরির পিছনে যারা ছিল তারাই। সেই বিদ্বেষী গেরুয়া সংগঠন ও দল।মনে করছেন অনেকেই। এই ইস্যু অবাঙালি হিন্দু আবেগেসুড়সুড়িদেবে কিনা জানা নেই। তবে অধিকাংশ বাঙালিরা এটাকে ভোট রাজনীতি হিসাবেই দেখবে।এমনটাই মনে করছেন বাংলার রাজনীতি বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন:  ভ্যাকসিনের পর এবার অক্সিজেনের আকাল, ‘ভয় পাবেন না’ আশ্বাসই সম্বল কেন্দ্রের

 

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest