১০৩ কোটি টাকা দান মোদির, পিএম কেয়ার্স বিতর্ক সামলাতেই কী পিএমও-র পরিসংখ্যান!

নিজের সঞ্চয় ও উপহারে পাওয়া সামগ্রী নিলাম করে উপার্জিত প্রায় ১০৩ কোটি টাকা এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন জনকল্যাণ প্রকল্পে দান করেছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁরই উদ্যোগে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তৈরি ‘পিএম কেয়ারস’ ফান্ডে সবার প্রথম তিনিই ২.২৫ লক্ষ টাকা দান করেছিলেন। জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।

পিএম কেয়ার্স তহবিলে দাতাদের নাম নিয়ে বিতর্কের মাঝেই ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’-এ নামল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দফতর। পিএমও-র আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিজের পকেট থেকে দেওয়া ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করা হয়েছিল পিএম কেয়ার্স তহবিল। শুধু তা-ই নয়, সেই সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে ‘নমামি গঙ্গে’ থেকে শুরু করে শিশুকন্যাদের পড়াশোনা— বিভিন্ন প্রকল্পে  প্রধানমন্ত্রীর দান করা অর্থের খতিয়ান। যা ছাড়িয়েছে ১০৩ কোটিরও বেশি টাকা।

আরও পড়ুন : ১ নভেম্বর মার্কিন বাজারে করোনার ভ্যাকসিন! ভোটের আগে চমক ট্রাম্পের

সরকারি ভাবে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ‘প্রাইম মিনিস্টার্স সিটিজেন অ্যাসিস্টেন্স অ্যান্ড রিলিফ ইন ইমার্জেন্সি সিচুয়েশনস ফান্ড’ বা পিএম কেয়ার্স নিয়ে বিতর্কের মাঝেই এই খতিয়ান সামনে আনা কাকতালীয় ঘটনা নয়, মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ফলে ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’-এর তত্ত্বই জোরালো হচ্ছে।

এই খবর কী ভক্তদের অজানা ছিল? গেরুয়া মিডিয়ায় কী এই খবর জানত না। যারা মোদির মাশরুম খাওয়ার খবর গ্রাফিক্স সহযোগে প্রচার করে তার কি জানত না ? যিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন মোদী আমি কীভাবে খান চুষে নাকি কেটে? তিনিও কি ছিলেন বেখবর! আর যার জন্য ‘নেশন’ সব কথা জানতে পারে সেই গোসাঁইও এমন একটা খবর কীভাবে ছেড়ে দিলেন মালুম করা কঠিন। পিএম কেয়ারস বিতর্ক সামনে না এলে এমন দানের কথা বোধহয় যেকোনোও ভোট প্রচারে কাজে লাগানো হত। এমন একটা ঘটনা বড্ড অসময়ে ছেড়ে দিতে হল। মনে করছেন বিজেপি বিরোধীরা।

আরও পড়ুন : PUBG ব্যানের বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতাকে কাজে লাগাতে চেষ্টা চিনের