তবলিগি জমায়েত নিয়ে কোনও আপত্তিকর সম্প্রচার হয়নি, সুপ্রিম কোর্টে বেমালুম বলল কেন্দ্র!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ন্যাশনাল ব্রডকাস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এনবিএ) এবং প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার (পিসিআই) কাছে ১৫০ টি অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু কেন্দ্র সেসব গুরুত্ব দিতে নারাজ। দিল্লির তবলিগি জামাতের জমায়েত নিয়ে কোনও আপত্তিকর সম্প্রচার করেনি সংবাদমাধ্যম। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে একথা জানাল কেন্দ্র। বিজেপি ঘনিষ্ট মিডিয়াগুলিকে সেদিন যে কিরকম ন্যক্কারজনক ভূমিকা পালন করেছিল তা গোটা দেশ জানে।

আন্তর্জাতিক বিশ্ব গেরুয়ায় শিবের এই আচরণের এমনই সমালোচনা করেছিল যে মোহন ভাগবতকে পর্যন্ত ময়দানে নেমে প্রীতির বাণী শোনাতে হয়েছিল। বিজেপির দালাল বলে অভিযুক্ত একটি মিডিয়া মিথ্যা রিপোটিংয়ের জন্য ক্ষমা পর্যন্ত চেয়েছিল। তারপরও কেন্দ্র বেমালুম সুপ্রিম করতে বলে দিল এমন কোনও আপত্তিকর সম্প্রচার করা হয়নি।

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের একটি আর্জি শুনছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই আবেদনে দাবি করা হয়েছে, একাধিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে তবলিগি সদস্যদের কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। জমায়েতে যোগদানকারীরা কীভাবে করোনাভাইরাস বিধি উপেক্ষা করেছেন এবং তাঁদের জন্যই করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে বলেও রিপোর্টে দেখানো হয়েছিল। কেন্দ্র ভবিষ্যতে ‘সেই জাতীয়’ সম্প্রচার বন্ধের জন্য ‘সংশোধনমূলক পদক্ষেপ’ করতে পারে বলে জানিয়েছে জামিয়াত।

আরও পড়ুন : ভূমিকম্পেও ক্ষতি হবে না অযোধ্যার রাম মন্দিরের, টিকে থাকবে ১০০০ বছর

প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে হলফনামা পেশ করে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক জানিয়েছে, এরকম নির্দেশ (সংবাদমাধ্যমের মুখ বন্ধ করা) জারি করা হলে, তা সংবিধানের ১৯ (১) (এ) ধারায় বাক স্বাধীনতার অধিকারকে ভঙ্গ করবে। একইসঙ্গে সমাজে কী হচ্ছে, সে বিষয়েও মানুষের অবহিত হওয়ার যে ‘স্বাধীনতা’ আছে, তাও লঙ্ঘন করবে সেই ধরনের নির্দেশ। সমাজকে অবহিত করার যে অধিকার আছে সংবামাধ্যমের, তাও সেই নির্দেশের মাধ্যমে ভঙ্গ হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। পাশাপাশি হলফনামায় কেন্দ্র দাবি করেছে, ভারত সরকার এমন কোনও নির্দিষ্ট সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট পায়নি, যা কোনও আইন না নির্দেশিকা লঙ্ঘন করেছে।

সওয়াল জবাবের পর তিন বিচারপতির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা যে আদালত নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত  সরকার কোনও পদক্ষেপ করে না। আমরা রায় দিতে চাই। কিন্তু আমাদের হাত-পা বাঁধা মনে হচ্ছে। আমরা একটি বিশেষজ্ঞ সংস্থার মতামত চাই। যারা এই বিষয়ে মত দিতে পারে।’ আগামী ২৬ অগস্ট মামলাটির শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

করোনার কারণে যখন গোটা দেশ তথা বিশ্ব আতঙ্কিত, সেই সময় কিছু গদি মিডিয়া বিদ্বেষ প্রচার শুরু করেছিল। অকারণে মুসলিমদের কাঠগড়ায় তোলার নোংরা খেলায় নেমেছিল। পরিস্থিতি এমনি জায়গায় পৌঁছেছিল যে আরব বিশ্ব পর্যন্ত এর সমালোচনা করেছিল।তারপর অবশ্য প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী এই ধরণের মন্তব্য করতে নিষেধ করেছিলেন। ততদিনে অবশ্য সোশ্যাল সাইটে মোদী ভক্তরা মুসলিমদের বাপান্ত করতে গ্লুকোজ খেয়ে নেমে পড়েছিল।

আরও পড়ুন : করোনাকালে বিশ্বের চতুর্থ ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি, সম্পত্তির পরিমাণ জানলে ঘুরে যাবে মাথা

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest