নজরে বিহার ভোট! বিক্ষোভরত সাংসদদের চা দেওয়ায় হরিবংশের প্রশংসায় মোদী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

রবিবার তুলকালাম হয়েছে। সোমবার থেকেে ধরনায় বসেছেন আট সাংসদ। তাতে একটি শব্দও খরচ করেননি। মঙ্গলবার সকালে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং চা নিয়ে যাওয়ার পরই মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হরিবংশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ  হওয়ার পাশাপাশি বিধানসভা ভোটের আগে বিহার আবেগও উসকে দিতে পিছপা হলেন না তিনি।

হরিবংশ যে আদতে বিহারের সাংসদ, তা টুইটের শুরুতেই মনে করিয়ে দিতে ভোলেননি মোদী। একইসঙ্গে বছর শেষে এনডিএ জোটের ভাগ্য নির্ধারণ করতে চলা বিহার যে শিক্ষা দিচ্ছে, তার প্রশংসা করতে কোনও কসুর ছাড়েননি। পরে আসে হরিবংশের প্রশংসা। মোদী বলেন, ‘শতকের পর শতক ধরে বিহারের পবিত্র ভূমি আমাদের গণতন্ত্রের মূল্যবোধ শেখাচ্ছে। সেই দুর্দান্ত পথে হেঁটেই আজ সকালে বিহারের সাংসদ ও রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান শ্রী হরিবংশজির অনুপ্রেরণামূলক ও রাষ্ট্রনেতার মতো আচরণে গর্ববোধ করবেন প্রত্যেক গণতন্ত্রপ্রেমী।’

দ্বিতীয় টুইটে নমো লিখেছেন, ‘দু দিন আগেই যাঁরা তাঁদের উপর আক্রমণ করেছিলেন ও তাঁকে অপমান করেছিলেন, ধরনায় বসা সেই সাংদদের ব্যক্তিগতভাবে চা পরিবেশন করার অর্থ হল, শ্রী হরিবংশ জি দয়ালু ও বিরাট মনের অধিকারী। এতে তাঁর মহত্ব প্রকাশ পায়। হরিবংশ জি-কে অভিনন্দন করার ক্ষেত্রে সারা দেশের মানুষের সঙ্গে আমিও যোগ দিলাম।’

আরও পড়ুন: এই প্রথম যুদ্ধজাহাজে যোগ দিচ্ছেন দুই মহিলা অফিসার, রচিত হল ইতিহাস

ইংরেজিতে দুটি টুইটের পাশাপাশি হিন্দিতেও তিনটি টুইট করেন মোদী। রাজনৈতিক মহলের মতে, এমনিতেই বিধানসভা ভোটের আগে অধিকাংশ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সূচনা বিহার থেকেই করা হচ্ছে। নিজেই সেই কাজ করছেন মোদী। আর এবার জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে বিহার আবেগ উসকে দিয়ে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভোট টানার কাজটা সুকৌশলে সেরে রাখলেন তিনি।

কৃষিবিল নিয়ে রাজ্যসভায় তুমুল বিক্ষোভ দেখানোয় শৃঙ্ঘলাভঙ্গের অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া ৮ সাংসদ সোমবার রাত কাটান সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের লনে। বালিশ, কম্বল, দুটো পাখা ও মশার ওষুধ নিয়ে লনেই রাত্রিবাস করেন তাঁরা। ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘সরকারকে এটাই জানাতে চাই যে, এটা একটা অনির্দিষ্টকালের প্রতিবাদ কর্মসুচি।’ মঙ্গলবার ভোরে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান তাঁদের চা খাওয়ার প্রস্তাব দিলে তা ফিরিয়ে দেন বিক্ষোভরত সাংসদরা। তাঁরা এই ‘চা-রাজনীতি’-কে কৃষক বিরোধী বলে কটাক্ষ করেন। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বিরোধী দলের নেতা গুলাম নবি আজাদ বলেছেন, ‘যতক্ষণ না সরকার সাংসদদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করছে, আমরা রাজ্যসভার অধিবেশন বয়কট করছি’।

বিতর্কিত কৃষি বিলকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে উঠেছে সরকার ও বিরোধীদের লড়াই। রবিবার দু’টি কৃষি বিল পাশের মুহূর্তে রাজ্যসভা কক্ষে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সোমবার সাসপেন্ড করা হয় আটজন বিরোধী সাংসদকে৷ সাসপেন্ড হওয়া সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেন, কংগ্রেসের রাজীব সতভ, রিপুন ভোরা ও সৈয়দ নাসির হুসেন, সিপিএমের কে রাগেশ ও ইলামারাম করিম এবং আপ-এর সঞ্জয় সিং৷ চলতি বাদল অধিবেশনের শেষ পর্যন্ত বহাল থাকবে তাঁদের সাসপেনশন।

আরও পড়ুন: সংসদ প্রাঙ্গণেই সারারাত ধরনা বরখাস্ত ৮ MP-র, ভোরে ফেরালেন ডেপুটি চেয়ারম্যানের চা

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest