পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অমানবিক অত্যাচার , ক্ষুধার্ত শ্রমিকদের উপর লাঠিচার্জ পুলিশের

অমরাবতী: পেটে খিদের জালা নিয়ে বাড়ি ফেরা ছাড়া আর কোনো উপায় পাচ্ছে না শ্রমিকরা । ফেরার পথে টাকা নেই হাতে তাই পায়ে ও সাইকেলে করেই বাড়ি ফিরছেন তারা । বাড়ি ফেরার পথে তাকে সঙ্গে অমানবিক আচরণ করলেন রাজ্য পুলিশরা ‌। তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে তাদের দেদার পেটাচ্ছেন পুলিশ অধিকারীরা । এমটি ঘটনা ঘটলো অন্ধ্রপ্রদেশে একদল পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে ।

রাজ্যের অমরাবতীতে বেশ কিছু কনস্ট্রাকশন কর্মী আটকে গিয়েছিলেন। নানান রাজ্য থেকে কাজ করতে সেখানে লকডাউনের কয়েক দিন আগেই পৌঁছেছিলেন তাঁরা। কিন্তু দেশজুড়ে লকডাউন জারি হতেই চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েন ওই পরিযায়ী শ্রমিকেরা। জমানো অর্থ যা ছিল, সবই শেষ হয়ে গিয়েছে লকডাউনে খাবার জোগাড় করতে। এমনই আবহে বাড়ি যাওয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনও উপায় খুঁজে পাচ্ছিলেন না তাঁরা।

আরও পড়ুন: বাচ্চা সমস্যায় পড়লে বাবা-মা কী ঋণ দেয় ? করোনা প্যাকেজ নিয়ে কেন্দ্রকে প্রশ্ন রাহুলের

প্রায় ১০০রও বেশি পরিযায়ী শ্রমিক তাই অমরাবতী থেকে মঙ্গলাগিরি যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। কেউ সাইকেলে। কেউ আবার পায়ে হেঁটেই। আর কিছু দূর যাওয়ার পরই পুলিশ তাঁদের আটকায়। বেধড়ক মারধরও করে। ঘটনার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। পুলিশের মার খেতে খেতেই এক পরিযায়ী শ্রমিক বলে ওঠেন, “খিদের জ্বালায় এমনিই মরে যাচ্ছি। তার চেয়ে আপনারাই বরং পিটিয়ে মেরে ফেলুন।”

ওই পরিযায়ী শ্রমিক দলে ছিলেন বেশ কিছু মহিলাও। অভিযোগ পুলিশ তাঁদেরও ছাড়েনি। এমনকী স্থানীয় এক প্রশাসক ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করতে এলে গুরুতর আহত শ্রমিকরা তাঁদের শরীরের ক্ষত চিহ্ন দেখান। কী ভাবে পুলিশ তাঁদের পিটিয়েছে। বেশ কিছু মহিলা শ্রমিকও দেখান, পুলিশের এই অমানবিক কীর্তি।

আরও পড়ুন: খনি, বিদ্যুৎ থেকে প্রতিরক্ষা, নির্মলার চতু্র্থ ঘোষণায় হাতিয়ার সেই বেসরকারিকরণই

Gmail 2