বিবাহবার্ষিকীতে স্ত্রীকে চাঁদে জমি কিনে দিলেন রাজস্থানের এই ব্যবসায়ী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

প্রেমিকাকে চাঁদ উপহার দেবার কথা বলেন বহু প্রেমিক। সুবিধা প্রেমিকা সেটাকে রসিকতা বলেই ধরে নেয় । ভোট প্রচারে কেউ কেউ বাংলাকে ‘সোনার বাংলা’ বানিয়ে দেবার কথা বলে। কেউ বলেন জিতলে ফি বছর ২ কোটি চাকরি। এগুলিকে রসিকতা বলে ধরে নিলেই ভাল। কিন্তু রাজস্থানের ব্যাবসায়ী তো সত্যিই অবাক করলেন। স্ত্রী তিনি প্রকৃতই কিনে দিলেন চাঁদে জমি !

বিবাহ বার্ষিকীতে স্ত্রীকে অনেকেই দামি গয়না, কেউ বা দামি পোশাক অথবা দামি গাড়ি উপহার হিসেবে দিয়ে থাকেন। কিন্তু রাজস্থানের এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীকে বিবাহ বার্ষিকীতে যা উপহার দিলেন, তা চমকে ওঠার মতোই।

আরও পড়ুন: বাড়িতে উদযাপন করলেও সাজুন মন খুলে, রইলো আপনার বছর শেষের মেকআপ টিপস

গত ২৪ ডিসেম্বর অষ্টম বিবাহ বার্ষিকী ছিল রাজস্থানের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র আনিজার। কিন্তু এ বারের বিবাহ বার্ষিকীটা একটু অন্য রকম ভাবে উদ্‌যাপন করার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।

স্ত্রীকে প্রতি বছরই বিবাহ বার্ষিকীতে উপহার দিয়ে এসেছেন। এ বার একটু অন্য রকম উপহার দেওয়া কথা ভেবেছিলেন। কোনও দামি গয়না বা পোশাক নয়, উপহার হিসেবে তিনি ‘চাঁদে জমি’ কিনে দিয়েছেন স্ত্রী স্বপ্না আনিজাকে।

এক লপ্তে চাঁদের তিন একর জমি কিনেছেন ধর্মেন্দ্র। আর সেই জমি তা লিখে দিয়েছেন স্ত্রী স্বপ্নার নামে। ধর্মেন্দ্র জানিয়েছেন, “এবার বিবাহ বার্ষিকীতে অন্যরকম কিছু করতে চেয়েছিলাম। সবাই এই দিনটায় নিজের প্রিয় মানুষটাকে গাড়ি, বাড়ি, দামি গহনা উপহার দেয়। আমি সে সবের ঊর্ধ্বে গিয়ে অন্যরকম কিছু করতে চাইছিলাম। তাই অষ্টম বিবাহ বার্ষিকীতে চাঁদের জমি উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা করি।” সেই মতো এক বছর আগে থেক পরিকল্পনা শুরু করেন তিনি। গোটা প্রক্রিয়াটি শেষ হতে এক বছর সময় লেগে যায়।

যেমন ভাবা, তেমনই কাজ। নিউ ইয়র্কের লুনা সোসাইটি ইন্টারন্যাশনাল-এর সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর দাবি, ওই সংস্থার সংস্থার সঙ্গে এক বছর আগেই যোগাযোগ করেছিলেন স্ত্রীর অগোচরেই।পুরো পদ্ধতি শেষ হতে এক বছর সময় লেগেছে। ধর্মেন্দ্র বলেন, “আমি দারুণ খুশি। আমার মনে হয়, রাজস্থান থেকে আমিই প্রথম চাঁদে জমি কিনলাম।”

আনন্দে আপ্লুত স্ত্রী স্বপ্নাও। তিনি জানান, “কোনও দিনও ভাবতে পারিনি এমন একটা উপহার পাব। উপহারটি পাওয়ার পর মনে হচ্ছিল আমি যেন চাঁদে বসে আছি। বিবাহ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান চলাকালীন তিনি এই সারপ্রাইজ দেন আমায়। আমি এখনও বিশ্বাসই করতে পারছি না।”

আরও পড়ুন: বছর শেষে মামার বাড়ির আইবুড়ো ভাত, শুরু হয়ে গেল ‘গুনগুন’ তৃণার বিয়ের অনুষ্ঠান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest