কৃষি বিল সঙ্ঘাত, ফারাক সরকারি বয়ান আর ভিডিয়ো ফুটেজে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নরেন্দ্র মোদী সরকারের বয়ান এবং রাজ্যসভা অধিবেশনের ভিডিয়ো ফুটেজে সামনে এসেছে গুরুতর অসঙ্গতি! গত রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ধ্বনিভোটে বিতর্কিত জোড়া কৃষি বিল পাশের সময় তুমুল অশান্তির ঘটনা নিয়ে।

সে দিন কৃষি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে অসংসদীয় আচরণের দায়ে আটজন বিরোধী সাংসদকে বাদল অধিবেশন পর্বের জন্য সাসপেন্ড করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন, কংগ্রেসের রাজীব সাতভ, সিপিএমের কে কে রাগেশরা সভা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিংহকে নিগ্রহ করেছেন।

আরও পড়ুন : তুমুল বিক্ষোভেও ৩ কৃষি বিলে অনুমোদন রাষ্ট্রপতির, বিজ্ঞপ্তি জারি কেন্দ্রের

বিরোধীদের পাল্টা অভিযোগ, ডেপুটি চেয়ারম্যান নিরপেক্ষতা পালন করেননি। গোটা বিরোধী শিবির এমনকি, তখনও এনডিএ জোটের শরিক শিরোমণি অকালি দল ভোটাভুটির (ডিভিশন) দাবি তুললেও তা খারিজ করেছেন। সরকারকে বাঁচাতে একতরফা সিদ্ধান্তে ধ্বনিভোটের মাধ্যমে বিল পাশ করিয়েছেন।

রবিবার একটি সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিয়ো ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ত্রিচি শিবা, রাগেশ-সহ দু’-তিন জন বিরোধী সাংসদ নিজেদের আসন থেকেই কৃষি বিল সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি জানাচ্ছেন হরিবংশের কাছে। ওই ফুটেজে দেখাচ্ছে, সে দিন গন্ডগোলের সূত্রপাত হয়েছিল দুপুর ১টা নাগাদ।

বিরোধীরা অধিবেশনের সময়সীমা না বাড়িয়ে সে দিনের মতো সভা মুলতুবি করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন। বিরোধী দলনেতা গুলাম নবি আজাদ বলেছিলেন, ‘‘বিল নিয়ে আগামিকালও আলোচনা হতে পারে। মন্ত্রী জবাব দিতে পারেন।’’ কিন্তু তা উপেক্ষা করে সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীর প্রস্তাব মেনে সভার সময়সীমা বাড়িয়ে দেন ডেপুটি চেয়ারম্যান।

সেদিন বেলা ১টা ১১-এ রাগেশ তাঁর ৯২ নম্বর আসন থেকেই বিলটি সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে ভোটাভুটির (ডিভিশন) দাবি জানিয়েছিলেন। তাঁর এক মিনিট আগে নিজের আসন থেকে একই দাবি তুলেছিলেন শিবা। তাঁর দাবি, সংসদীয় কার্যবিধির ২৫২(৪) (এ) উপ-অনুচ্ছেদ বলছে, সভা পরিচালনাকারী যদি দ্বিতীয় বারও প্রস্তাবের সঙ্গে অসম্মত হন তবে ধ্বনিভোটের বদলে ভোটাভুটি (ডিভিশন) চাইবেন তিনি। যন্ত্রে বোতাম টিপে বা মাথা গুণে সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদের মতে সায় দেবেন। কিন্তু ডিভিশনের পরিবর্তে হরিবংশ ধ্বনিভোটের সাহায্য নেন।

অনেকে বলছেন ,ভোটেরই বা প্রয়োজন কি। সবটা ধোনি ভোট হলেই তো হয়। খরচ বাঁচে। সেই টাকা অন্য কোনো ঋণ খেলাপি নিয়ে চম্পট দিতে পারে। তাতে সরকারের ক্ষতি নেই। মাঝে মাঝেই ‘মোদীয়া’ ওরফে মিডিয়া জিগির তুলবে এবার এই ঋণ খেলাপিকে দেশে ফেরানো হবে। তাতেই ভক্তরা খুশি। কিছুদিন পরে সব ঠান্ডা। অমিত শাহ দূরদর্শী। তিনি বলেছিলেন ঊনিশের লোকসভা ভোট জয়ী হলে বিজেপি আরও ৫০ বছর শাসন করবে। এখন স্পষ্ট হচ্ছে কিভাবে তারা ক্ষমতায় ঠিক থাকবে।

আরও পড়ুন : সেক্সের সময় ‘খারাপ’ কথায় শিহরণ জাগে, জেনে নিন কী কী শুনতে ভালবাসে মেয়েরা

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest