আজ ফোকাস-এ

নেপথ্যে চাপ? কৃষক বিক্ষোভ নিয়ে বিতর্কের মাঝেই পদত্যাগ টুইটার ইন্ডিয়ার কর্মকর্তার

কৃষক আন্দোলন নিয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে টুইটারের সম্পর্ক যখন ক্রমশই অবনতির পথে, তখনই সামনে এল এই খবর।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বিতর্কের মাঝেই পদত্যাগ করলেন টুইটারের (Twiiter) পদস্থ কর্মকর্তা। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ইস্তফা দিলেন টুইটার ইন্ডিয়ার নীতি নির্ধারক মহিমা কৌল। কৃষক আন্দোলন (Farmer Protest) সংক্রান্ত টুইট ঘিরে ইতিমধ্যে কেন্দ্রের সঙ্গে এই মাইক্রোব্লগিং সাইটের টানাপোড়েন চলছে। এমন পরিস্থিতিতে সংস্থার নীতি নির্ধারকের পদত্যাগ করা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

কৃষক আন্দোলন নিয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে টুইটারের সম্পর্ক যখন ক্রমশই অবনতির পথে, তখনই সামনে এল এই খবর। ভারতে টুইটারের নীতি নির্ধারণের বিষয়টি দেখাশোনা করছিলেন মহিমা। গত ছ’বছর ধরে তিনি এই দায়িত্বে। তবে এ বছর জানুয়ারি মাসে হঠাৎই সেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেন তিনি। জানান, সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত কারণেই কাজ থেকে কিছুদিনের জন্য বিশ্রাম চান। শনিবার তাঁর পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করল টুইটার। টুইটারের এক পদস্থ কর্তাও জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েই কাজ থেকে নিষ্কৃতি চেয়েছেন মহিমা। যদিও পর্যবেক্ষকদের মতে, ভারত সরকারের সঙ্গে টুইটারের মনোমালিন্যের মধ্যেই ভারতীয় অধিকর্তার পদত্যাগ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

আরও পড়ুন: ঘৃণা ছড়ানোর জের, কঙ্গনার দু’টি টুইট ডিলিট করল টুইটার

যদিও এ নিয়ে টুইটার কিছু জানায়নি। বরং টুইটার সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই ঘটনার সঙ্গে মহিমার পদত্যাগের কোনও সম্পর্ক নেই। মার্চ মাস পর্যন্ত ভারতে টুইটারের নীতি নির্ধারণের বিষয়ে দেখাশোনা করবেন মহিমা কৌলই।

‘মোদীপ্ল্যানিংফারমারসজেনোসাইড’ অর্থাৎ ‘কৃষকদের হত্যার পরিকল্পনা করছেন মোদী’ হ্যাশট্যাগ নিয়েই টুইটারের সঙ্গে মনোমালিন্যের শুরু কেন্দ্রের। টুইটারকে ওই হ্যাশট্যাগটি সরিয়ে দিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রক। সেই সঙ্গে বন্ধ করে দিতে বলা হয়েছিল কৃষক আন্দোলন সমর্থনকারী ২৫০টি টুইটার অ্যাকাউন্টও। সরকারের নির্দেশ মেনে টুইটার ওই অ্যাকাউন্টগুলি প্রথমে বন্ধ করলেও পরে তা আবার চালু করে দেয়। এরই প্রেক্ষিতে টুইটারকে নোটিস পাঠায় কেন্দ্র। জানায় টুইটারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।

পদত্যাগের ঘোষণা করে টুইটার জানিয়েছে, ‘‘ভারত এবং দক্ষিণ এশিয়ার নীতি নির্ধারক অধিকর্তা হিসাবে বছরের শুরুতেই দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মহিমা কৌল। টুইটার তার কাজ ছেড়ে বিশ্রাম নেওয়ার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাচ্ছে। ওঁর এই বিশ্রাম প্রাপ্য ছিল। তবে টুইটার ওঁকে মিস করবে।’’

আরও পড়ুন: উত্তরাখণ্ডের ভয়াবহ হিমধস, ভাঙল বাঁধ, নিখোঁজ বেড়ে শতাধিক

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

সম্পর্কিত পোস্ট